Category: Hosting

  • কিভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা ডোমেইন ও হোস্টিং কিনবেন ?

    কিভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা ডোমেইন ও হোস্টিং কিনবেন ?

    যতই দিন যাচ্ছে ততই ইন্টারনেটের ব্যাবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে সাধারন ব্যাবসা-বাণিজ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক ই-বাণিজ্য বেড়েই চলেছে। বিখ্যাত ই-কমার্স কোম্পানি অ্যামাজন ও আলি এক্সপ্রেসের কথা আমরা সবাই জানি। বর্তমানে তারা একচেটিয়ে কিভাবে অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করছে। তারই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশেও এখন অনেক ই-কমার্স সাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় DarazAjker Deal ইত্যাদি।

    আপনি যদি একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে একটি ই-কমার্স সাইট প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে প্রথমে আপনার প্রয়োজন হবে একটি ভালো মানের ডোমেইন ও হোস্টিং। কিন্তু নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বেশ কিছু সমস্যা হয়ে দাড়ায় যখন তারা এসব বিষয়ে কোন জ্ঞান ও দক্ষতা না থাকলে। তাই আজকের আলোচনায় আমরা “ই-কমার্স কি? এবং কিভাবে আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা হোস্টিং কিনবেন ?” এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক…

    আপনি যদি ডোমেইন ও হোস্টিং সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাদের আগের পোস্ট গুলো পড়ে নিতে পারেন। আশাকরি বিস্তারিত জানতে পারবেন।

    Table of Contents

    • ই-কমার্স কি? (What is E-commerce)
      • যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট ডোমেইন কিনবেন
      • যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা হোস্টিং প্লান কিনবেন
      • পরিশেষে

    ই-কমার্স কি? (What is E-commerce)

    ই-কমার্স (E-commerce) এর ফুল ফর্ম হলো ইলেক্ট্রনিক কমার্স (Electronic Commerce)। সাধারনত, ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য হলো এমন একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/ বিক্রয় হয়ে থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে। যেমন- অনলাইন শপিং,  নিলাম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং,  ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ইত্যাদি পদ্ধতি হলো ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য।

    যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট ডোমেইন কিনবেন

    ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে আপনার পছন্দ অনুযায়ী সাইটের নাম ঠিক করা।  তারপর পছন্দ অনুযায়ী নামে ডোমেইন খালি আছে কি না তা দেখা। কারণ এই নামেই আপনার প্রতিষ্ঠান পরিচিতি পাবে। নিচে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

    * প্রথমত আপনার ব্যবসার পণ্য বা সেবার সঙ্গে মিল রেখে ডোমেইন নাম পছন্দ করুন। অর্থাৎ ডোমেইন নামটি Brandable রাখার চেষ্টা করা

    * ডোমেইন নামে কোন সিম্বল বা হাইপেন ব্যাবহার করবেন না। সেই সাথে ছোট ও সহজে মনে রাখা যায় এমন ডোমেইন নাম সিলেক্ট করুন। এতে আপনার সাইট যাঁরা দেখবেন, তাঁদের নামটা মনে রাখা সহজ হবে।

    * সাধারণত .com ডোমেইন ৮৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করা যায় । মেয়াদ শেষে নবায়ন (রিনিউ) করতে হয়।

    * রেজিস্ট্রেশন করার পর ডোমেইনের নিয়ন্ত্রণ (কন্ট্রোল প্যানেল) নিজের হাতে নেবেন। কন্ট্রোল প্যানেল দিতে পারবে না এমন সেবাদাতা বা প্রোভাইডারের কাছ থেকে ডোমেইন কেনা যাবে না। আপনি চাইলে  বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ডোমেইন কিনতে পারবেন।

    কিভাবে সঠিক ডোমেইন নাম নির্বাচন করবেন এ বিষয়ে আরও জানতে আগের পোস্ট  টি পড়ে দেখতে পারেন। তাহলে আপনি একটা ভালো ধারণা পাবেন।

    যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা হোস্টিং প্লান কিনবেন

    একটা ই-কমার্স (E-commerce) সাইটের জন্য ডোমেইনের পরেই যেটা বেশি প্রয়োজন, সেটা হলো হোস্টিং। মূলত আপনি যে সাইটটা তৈরি করবেন, সেটার যাবতীয় ডাটা, ফাইল ও দরকারি জিনিসপত্র সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য একটি স্পেস বা জায়গা প্রয়োজন। আর সেই নির্ধারিত স্পেস বা জায়গা কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের হোস্টিং। আপনি চাইলে যেকোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও ভালো মানের হোস্টিং প্যাকেজ কিনতে পারবেন। হোস্টিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: শেয়ারড হোস্টিং, ভিপিএস (ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট সার্ভার) হোস্টিং, ক্লাউড হোস্টিং, রিসেলার হোস্টিং, ডেডিকেটেড হোস্টিং ইত্যাদি।

    এখন এগুলো হোস্টিং সার্ভিসের মধ্যে আপনি কোনটা বেছে নিবেন। সেটা হলো জানার বিষয়। নিম্নে এ বিষয়ে আলোচনা করা হলো।

    শেয়ারড হোস্টিংঃ শেয়ারড হোস্টিং মানেই হচ্ছে এক পিসিতে একটা হার্ড ডিস্ক থাকবে সেই হার্ড ডিস্ক এর সব স্পেস শেয়ার করা হয় অনেকে হোস্টিং ইউজারদের মধ্যে। এ ধরনের হোস্টিং ই-কমার্স সাইটের জন্য অনুপযোগী। অধিক সংখ্যক ভিজিটর সাইটে এলেই সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়ার চান্স আছে। সাধারণত ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে (প্রতি মাসিক ভাড়া) আপনি এই হোস্টিং কিনে ব্যাবহার করতে পারবেন।

    ভিপিএস হোস্টিংঃ ভিপিএস এর ফুল ফর্ম হলো ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট সার্ভার। যখন একটা কম্পিউটারকে  বিশেষ কোন Software বা অন্য কিছু দিয়ে ভাগ করে অনেক গুলো সার্ভার তৈরি করা হয় তখন প্রত্যেক ভাগকে এক একটা ভিপিএস বা ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট সার্ভার বলে। ই-কমার্স সাইটের জন্য এটি ব্যাবহার করতে পারবেন। তবে এটার ব্যবস্থাপনা একটু কষ্টসাধ্য এবং শেয়ারড হোস্টিং এর মতো সার্ভার কম ডাউন হয়। একটি ভালো ভিপিএস সার্ভারের মাসিক ভাড়া চার হাজার টাকা থেকে শুরু।

    ডেডিকেটেড হোস্টিংঃ সহজ ভাষায় বললে যখন একটা কম্পিউটার পুরটাই একটা সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয় তখন এটাকে বলে ডেডিকেটেড সার্ভার। আর এই ডেডিকেটেড সার্ভার এর হোস্টিং কে আমরা বলি ডেডিকেটেড হোস্টিং । ডেডিকেটেড সার্ভার অনেক ব্যয়বহুল। যাদের ওয়েবসাইট অনেক বড় এবং বেশি নিরাপত্তার প্রয়োজন হয় তাদের জন্য এই হোস্টিং সার্ভিস টি ভালো। ই-কমার্স সাইটের জন্য ডেডিকেটেড হোস্টিংয়ের সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। ডেডিকেটেড সার্ভারের মাসিক ভাড়া কমবেশি ছয় হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।

    ক্লাউড হোস্টিংঃ যখন কোনো ওয়েবসাইট হোস্ট করা হয়, তখন তা একটি সার্ভারে সংর‌ক্ষিত থাকে। কিন্তু ক্লাউড হোস্টিংয়ে সাইটটি একটি সার্ভারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। অর্থাৎ প্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে পারে। তাই একই সময়ে বেশি মানুষ সাইটে গেলেও সার্ভার ডাউন হয় না। তাই ই-কমার্স সাইটের জন্য প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ক্লাউড হোস্টিং। তবে এখানে প্রধান সমস্যা হল প্রায় ৮০ শতাংশ ক্লাউড হোস্টিং প্রভাইডাররা সাধারণত ক্লাউড হোস্টিং এর নামে KVM হোস্টিং প্রদান করে। তাই ইউজার দের থেকে জেনে নিতে পারলে ভালো হয় প্রভাইডার এর সার্ভিস সম্পর্কে।

    পরিশেষে,

    আপনি যদি ওয়েব হোস্টিং নিতে চান তাহলে সহজেই BizTech এর থেকে নিতে পারেন। তাদের সকল হোস্টিং প্যাকেজসমূহ বিশ্বের সবচেয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি কন্ট্রোল প্যানেল ডব্লিউএইচএম/সিপ্যানেল সম্পন্ন। তাই এটা বিশ্বস্ত, সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি।

    ই-কমার্স বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন হলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে নতুন উদ্যোক্তারা ধিরে ধিরে এই ই-কমার্স ব্যাবসার এর সাথে জরিত হচ্ছেন। তাই আপনি যদি একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে একটি ই-কমার্স সাইট প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে উপরোক্ত আলোচনা আপনার জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করবে বলে সেই আশাবাদ ব্যাক্ত রেখে এখানেই শেষ করছি।

    আর লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপনার সুচিন্তিত মতামত আমাদের একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

  • ওয়েবহোস্টিং কেনার আগে যে সব বিষয় খেয়াল রাখবেন

    ওয়েবহোস্টিং কেনার আগে যে সব বিষয় খেয়াল রাখবেন

    আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে সর্বপ্রথম আপনার প্রয়োজন হবে একটি ডোমেইন তারপর সেই ডোমেইনটি হোস্ট করার জন্য ভালো মানের একটি হোস্টিং সার্ভার। বর্তমানে বাংলাদেশে অসংখ্য হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে যারা কিনা ভালো মানের হোস্টিং সার্ভিস প্রদান করে থাকে।

    পূর্বে এসব দেশীয় কোম্পানী হতে ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস গ্রহণের ক্ষেত্রে নানাবিধ অসুবিধা ছিলো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেসব প্রতিষ্ঠানের পেশাদারি চেষ্টায় সেই অসুবিধা গুলো অনেকটা সমাধান হতে চলেছে। আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির যুগে র্স্মাট হোস্টিং সার্ভিস এখন সময়ের দাবী। তারই প্রেক্ষিতে বিদেশি কোম্পানির পাশাপাশি অনেক দেশীয় হোস্টিং কোম্পানি এখন সুনামের সাথে এসএসডি হোস্টিং; ভিপিএস হোস্টিং; ডেডিকেটেড হোস্টিং; ক্লাউড হোস্টিং; ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ও এসএসএল সার্টিফিকেট সার্ভিস প্রদান করে চলেছে।

    এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হোস্টিং কোম্পানীগুলো বিভিন্ন উপলক্ষ্যে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়ে থাকে। আবার এর মধ্যে অনেক হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে যারা কিনা হোস্টিং প্যাকেজ কিনার আগে নিজেদেরকে সেরা দাবী করলেও পরবর্তীতে দেখা যায় তাদের সার্ভিস তুলনামূলক ভাবে অনেক খারাপ। বিশেষ করে ব্যান্ডউইথ, আপটাইম, লোডিং স্পিড, কাস্টমার সাপোর্ট ইত্যাদি বিষয় গুলোর ক্ষেত্রে সর্বদা সমস্যা লেগেই থাকে। তাই এসব সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে হোস্টিং কোম্পানীর সার্ভিসের মান যাচাই বাছাই না করে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।  তাই আজকের আলোচনায় আমরা “হোস্টিং সার্ভিস গ্রহণের আগে যেসব বিষয় গুলো জেনে একটি ভালো মানের হোস্টিং প্যাকেজ কিনা উচিত” সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক–

    best web hosting in bangladesh-hostingreviews.com

    Table of Contents

    • হোস্টিং সেবা গ্রহণের আগে যে বিষয় গুলো জানবেন
      • পরিশেষে

    হোস্টিং সেবা গ্রহণের আগে যে বিষয় গুলো জানবেন

    * প্রথমত, হোস্টিং সার্ভিস প্রদানের ব্যাপারে কোম্পানীর সুনাম আছে কিনা? প্রয়োজনে তাদের রিভিউস চেক করবেন।

    * পিওর এসএসডি হোস্টিং অন্যান্য নরমাল হোর্স্টিং থেকে ২০ গুন বেশী গতিসম্পন্ন। বর্তমানে পিওর এসএসডি ছাড়া হোস্টিং নেয়া ঠিক নয়। তাই জেনে নিন হোস্টিং কোম্পানি সুপার ফাস্ট পিউর এসএসডি স্পেস দিচ্ছে কিনা?

    * হোস্টিং প্যাকেজ নেওয়ার পর, হোস্টিং কন্ট্রোল আপনার হাতে থাকবে কিনা?

    * একটি ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড ঠিক রাখার ক্ষেত্রে ৯৯.৯৯ % সার্ভার আপটাইম অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই সর্বোচ্চ আপটাইম থাকবে কিনা?

    * হোস্টিং সার্ভারে ওয়েব বেসড ইজি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে কিনা?

    * হোস্টিং কোম্পানির সার্ভার আপগ্রেড অপশনস আছে কিনা? এবং ওর্য়াডপ্রেস ও ই-কর্মাস স্টোর  অপটিমাইজড হবে কিনা?

    * ডাটা ব্যাকআপ অ্যান্ড ইজি রিস্টোরেশন অপশন আছে কিনা?

    * আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ, বিজিনেস ইমেইল, সাবডোমেইন সুবিধা আছে কিনা?

    * প্রয়োজনে যেকোনো বিষয়ে সময়মত (২৪/৭ ফ্রেন্ডলি কাস্টমার সাপোর্ট) রিপ্লাই দেয় কিনা? এছাড়া ফোন; ইমেইল; কিংবা ওয়েবচ্যাট সিস্টেমের মাধ্যমে কোন ডেডিকেটেড সার্পোট সংযুক্ত আছে কিনা?

    * 1 Click অটো অ্যাপস ইন্সটলার আছে কিনা?

    * ফ্রী ওয়েব সাইট ট্রান্সফার আছে কিনা? নাকি নির্ধারিত চার্জ দিতে হবে?

    * কোন হিডেন চার্জ এবং সেটআপ ফী আছে কিনা?

    * কোম্পানীর পেমেন্ট সিস্টেম অনলাইনে ভিত্তিক কিনা? সেই সাথে প্রথম বছর হোস্টিং ফি কম নিয়ে দ্বিতীয় বছর রিনিউ করার সময় দ্বিগুন নেবে কিনা?

    * রিনিউ করার জন্য কতদিন আগে নোটিশ করবে? আবার সময়মত রিনিউ করতে না পারলে কতদিনের সুযোগ দেবে?

    * মানি ব্যাক গ্যারান্টি ও ফ্রি ট্রায়াল পিরিয়ড সুবিধা আছে কিনা?

    পরিশেষে

    উপরে বর্ণিত টেকনিক্যাল বিষয় গুলো ছাড়াও আপনার ব্যবসায়ের ধরণ ও সাইটের বৈশিষ্ট্য অনুসারে আরও যেসব সুযোগ সুবিধা প্রয়োজন আপনি চাইলে সেগুলো নোট ডাউন করে নিতে পারেন। যাতে করে পরবর্তীতে এটা নিয়ে আপনাকে আর কোনো ঝামেলায় পড়তে না হয়।

    এছাড়া বেশির ভাগ হোস্টিং কোম্পানিরই নিজস্ব কল সেন্টার ও সাপোর্ট টিম রয়েছে। আপনি চাইলে  কোম্পানির ওয়েব সাইট ভিজিট এর পাশাপাশি ফোন করেও তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

    যদি আপনি ওয়েব হোস্টিং নিতে চান তাহলে সহজেই BizTech এর থেকে নিতে পারেন। তাদের সকল হোস্টিং প্যাকেজসমূহ বিশ্বের সবচেয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি কন্ট্রোল প্যানেল ডব্লিউএইচএম/সিপ্যানেল সম্পন্ন। তাই এটা বিশ্বস্ত, সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি।

    পাশাপাশি লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনার সুচিন্তিত মতামত আমাদের একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

  • রিসেলার হোস্টিং কি? রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ!

    রিসেলার হোস্টিং কি? রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ!

    সাধারনত, আমরা সবাই জানি যে, কোন ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ইমেজ ভিডিওস এবং বিভিন্ন ফাইল সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য একটি স্পেস বা জায়গা প্রয়োজন। আর সেই নির্ধারিত স্পেস বা জায়গা কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের হোস্টিং বা ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting)। আবার হোস্টিং এর রয়েছে বিভিন্ন প্রকারভেদ।রিসেলার হোস্টিং তার মধ্যে একটি ও অন্যতম। এই হোস্টিং এর মাধ্যমে একই অ্যাকাউন্ট এর মালিক তার নিজের হোস্টিং ব্যাবহার করে তার গ্রাহককেও ওয়েব হোস্টিং সেবা প্রদান করতে পারে বলে বর্তমানে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমাদের এই বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকার কারনে আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আজকের আলোচনায় আমরা “রিসেলার হোস্টিং কি? এবং রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ” নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।  তো চলুন জেনে নেওয়া যাক–

    Table of Contents

    • রিসেলার হোস্টিং কি (What is Reseller Hosting)?
      • রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা সমূহ
      • রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন অসুবিধা সমূহ
      • পরিশেষে

    রিসেলার হোস্টিং কি (What is Reseller Hosting)?

    রিসেলার হোস্টিং অনেকটা শেয়ার্ড হোস্টিং এর মতই। বিভিন্ন হোস্টিং প্রোভাইডার এর কাছে থেকে কিনে যারা মার্কেটে সেল করে সেই হোস্টিং গুলোই মূলত রিসেলার হোস্টিং। নিচের উদাহরণ টি পড়লে আপনি আরও ভালো বুঝতে পারবেন।

    ধরুন, আপনি একজন ওয়েবডেভেলপার এবং আপানার বেশ কিছু নিজস্ব ক্লায়িন্ট আছে যাদের ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রয়োজন। তারা আপনাকে একটি ভাল মানের ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার এর থেকে একটি ভালো মানের হোস্টিং সার্ভিস নিয়ে তার ওয়েবসাইটের ডিজাইন করতে বলল । সে ক্ষেত্রে আপনি নিজেই রিসেলার প্যাকেজ কিনে নিজের মত প্যাকেজ তৈরি করে আপানার ক্লায়িন্ট এর কাছে বিক্রি করলেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটা হলো রিসেলার হোস্টিং ।

    বর্তমানে অনেক রিসেলার রয়েছেন যারা এই প্রক্রিয়ায় ভালো টাকা আয় করছেন। রিসেলার হোস্টিং (Reseller Hosting) প্যাকেজ প্লান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

    reseller hosting-hostingreviews.com
    Reseller Hositng

    রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা সমূহ

    ১) একটি ভালো মানের হোস্টিং কোম্পানি হতে রিসেলার এর মাধ্যমে আপনার ক্রয়কৃত হোস্টিং প্যাকেজটি  নিজের সুবিধামত প্লান তৈরি করে আপনার গ্রাহকদের কাছে সেল করতে পারবেন।

    ২) রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজের এর প্রত্যেকটি গ্রাহকদের জন্য আলাদা আলাদা প্লানের বিস্তারিত বিষয়ে আপনি নিজেই হিসাব রাখতে পারবেন।

    ৩) রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজের অ্যাকাউন্ট গুলো গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এমনভাবে তৈরি করা হয়ে থাকে যাতে করে পরবর্তীতে সেবা গ্রাহকদের কাছে অতি কম সময়ে এবং সহজেই হস্তান্তর করা যেতে পারে।

    ৪) বিভিন্ন হোস্টিং সার্ভিস সফটওয়্যার ও সিস্টেম। যেমন- WHM, Domain Reseller Account, Client Area ইত্যাদি। যা রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে।

    ৫) রিসেলার হোস্টিং অ্যাকাউন্ট গুলোর স্টোরেজ এবং ব্যান্ডউইড প্রয়োজনমতো আপগ্রেড করা যায় বলে রিসেলার প্রতিষ্ঠানগুলোই সব সেবা সমূহ প্রদান করে। যার ফলে হোস্টিং সম্পর্কিত সেবা সমূহ নিতে  আপনার অন্য কোথাও যাবার প্রয়োজন হয় না।

    সাধারণত, যে কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গ্রাহকদের কাছে  ব্যবসায়িক আস্থা অর্জন। তাই ভালো মানের রিসেলার হোস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের রিসেলার হোস্টিং সার্ভিস এর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ইনফরমেশন ও সাপোর্ট প্রদান করে থাকে। যাতে করে আপনার  রিসেলার হোস্টিং এর গ্রাহকেরা সহজেই  আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারে।

    রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন অসুবিধা সমূহ

    একটা বিষয়ের যেমন ভালো দিক থাকে ঠিক তেমনি খারাপ দিকও থাকে। তাই রিসেলার হোস্টিং এর যেমন  বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে ঠিক তেমনি বিভিন্ন অসুবিধাও রয়েছে। নিম্নে সেগুলো আলোকপাত করা হলো-

    ১) সাধারণত, শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজ প্লান থেকে রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজ প্লান একটু ব্যয়বহুল হয়ে থাকে।

    ২) রিসেলার হওয়া মানে আপনার গ্রাহকদের যাবতীয় হোস্টিং সম্পর্কিত দায়িত্ব স্থায়ীভাবে ভাবে নিজের কাধে নেওয়া। তাই আপনি যদি রিসেলার হোস্টিং প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর কাছ থেকে সার্ভার সম্পর্কিত পর্যাপ্ত সুবিধা না পান সেটা আপনার সমস্যার কারন হতে পারে।

    ৩) রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজে যদি প্রতিনিয়ত গ্রাহক বাড়তে থাকে তাহলে আপনার রিসেলার হোস্টিং প্লান  আপগ্রেড করার প্রয়োজন হবে।

    ৪) ভিপিএস ও ডেডিকেটেড হোস্টিং এর তুলনায় রিসেলার হোস্টিং ব্যাবহারকারি ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড, সার্ভার পারফর্মেন্স তুলনামূলক ভাবে অনেক কম হয়।

    ৫) ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মতো একটা কম্পিউটার পুরটাই একটা সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন না।

    পরিশেষে

    যদি আপনি রিসেলার ওয়েব হোস্টিং এর বিজিনেস শুরু করতে চান তাহলে সহজেই BizTech এর সাথে শুরু করতে পারেন। তাদের সকল রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজসমূহ বিশ্বের সবচেয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি কন্ট্রোল প্যানেল ডব্লিউএইচএম/সিপ্যানেল সম্পন্ন। তাই এটা বিশ্বস্ত, সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি।

    পক্ষান্তরে আপনি যদি রিসেলার ওয়েব হোস্টিং এর বিজিনেসের জন্য সিদ্ধান্ত না নিয়ে থাকেন তাহলে আপনি তাদের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে  Sign Up করে আপনার অর্থ উপার্জন করতে পারেন।  অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখনি ভিজিট করুন তাদের ওয়েবসাইটে

    আশাকরি উপরের সার্বিক আলোচনা হতে আপনি রিসেলার হোস্টিং কি? এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না । আর এ বিষয় নিয়ে আপনার মনে যদি কোন প্রশ্ন কিংবা মতামত থেকে থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।

  • হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি এবং কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ?

    হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি এবং কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ?

    যতই দিন যাচ্ছে ততই ইন্টারনেটের ব্যাবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে সাধারন ব্যাবসা-বাণিজ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক E-commerce বা ই-বাণিজ্যর ব্যাপক প্রসার ঘটছে। আমরা যারা প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি তাদের কাছে ‘ব্যান্ডউইথ’ (Bandwidth) শব্দটি অনেক পরিচিত বিষয়। তাই আজকের পোস্টে আমরা “ হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি এবং কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ?” নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

    Table of Contents

    • হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি?
    • কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ:
      • পরিশেষে

    হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি?

    কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) বলতে প্রতি সেকেন্ডে বা প্রতি একক সময়ে নির্ধারিত ডাটা (Data) স্থানান্তরের হারকে বুঝায়। সাধারণত, এই ব্যান্ডউইথ এর হিসাব করা হয় BPS (বিট পার সেকেন্ড) হিসাবে। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডাটা ট্রান্সফার হচ্ছে তার পরিমান হলো ব্যান্ডউইথ।

    আর হোস্টিং ব্যান্ডউইথ হচ্ছে কোন একটি সার্ভার থেকে প্রত্যেক ইউজারের (যিনি আপনার সাইটটি ব্রাউজ করবে) কম্পিউটারে প্রতি সেকেন্ডে বা প্রতি একক সময়ে কতটুকু পরিমান ডাটা ট্রান্সফার হবে।

    যদি আপনার ওয়েবসাইটটি অনেক পপুলার হয়ে থাকে এবং প্রতিদিন হাজার হাজার অথবা মাসে লাখ লাখ  ভিজিটর উক্ত সাইটটি ভিজিট করে। তাহলে সাধারণ ভাবেই আপনার অনেক ব্যান্ডউইথ লাগবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি অল্প পরিমান ব্যান্ডউইথ প্যাকেজ ব্যবহার করেন তাহলে দেখা যাবে যে মাসের মাঝখানে আপনার ওয়েবসাইটটি ড্যামেজ (Damage) হয়ে যাবে। তাই হোস্টিং প্রোভাইডারদের কাছ থেকে  আপনার পছন্দের হোস্টিং প্যাকেজে কি পরিমান বা কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নিবেন তা আগে থেকেই হিসাব বা নির্ধারণ করে নেওয়া উচিত। চলুন নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক……

    কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ:

    সাধারণত, সকল ডোমেইন ও হোস্টিং কোম্পানি গুলো তাদের নির্ধারিত প্রতিটি হোস্টিং প্যাকেজের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকেন। যেমন: 30 GB Bandwidth, 60 GB Bandwidth, 120 GB Bandwidth ইত্যাদি। তবে হোস্টিং স্পেসের উপর নির্ভর করে ব্যান্ডউইথ এর পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে। এখন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য কতুটুকু ব্যান্ডউইথ দরকার তা হিসেব করে যে কোন একটি হোস্টিং প্যাকেজটি কিনে নিবেন। আপনার বোঝার সুবিধার জন্য নিচে একটি হিসাব করে দেখানো হলো। যাতে করে, উক্ত ব্যান্ডউইথ হিসাবটি আপনিও খুব সহজে করতে পারেন।

    What is Hosting Bandwidth?
    What is Hosting Bandwidth?

    উদাহরনস্বরূপ, আপনার ওয়েবসাইটিতে ৫ টি ওয়েবপেজ রয়েছে এবং প্রতিটি ওয়েবপেজের সাইজ ১০০ KB (কিলোবাইট)। এখন ধরা যাক, প্রতিদিন ৫০০ জন ভিজিটর গড়ে ৫টি করে পেজ ভিজিট করে । তাহলে মোট ব্যান্ডউইথ দরকার হবে (৫০০ ভিজিটর × ৫ ওয়েবপেজ × ওয়েবপেজের সাইজ ১০০ KB) টোটাল = ২,৫০,০০০ KB (কিলোবাইট) বা ২৪৪.১৪ MB (মেগাবাইট)। এছাড়া আপনার সাইটটিতে যদি প্রতিদিন কন্টেন্ট আপডেট করতে থাকেন অথবা যে কোন সার্ভিস প্রদান করে থাকলে অবশ্যই ভিজিটর বাড়তে থাকবে। তাই শুরুতেই আপনাকে আনুপাতিক হিসাবের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণ ব্যান্ডউইট কিনতে হবে।

    উল্লেখ্য যে, ভবিষ্যতে কোন কারনে যদি আরো বেশি ব্যান্ডউইথের প্রয়োজন হয় তাহলে কত টাকা মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটা আগে থেকেই জেনে নিবেন। তাছাড়া অনেক কোম্পানি পরে সুযোগ বুঝে দামটা বেশি নিয়ে থাকে। যদিও আজকাল অনেক ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে তাদের সার্ভারের Maximum Bandwidth Capacity এবং Loading Speed সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

    পরিশেষে

    আশাকরি উপরের সার্বিক আলোচনা হতে আপনি হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি এবং কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ? সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না । আর এ বিষয় নিয়ে আপনার মনে যদি কোন প্রশ্ন কিংবা মতামত থেকে থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।

  • ওয়েব হোস্টিং এর প্রকার? কোন হোস্টিং কি সুবিধা দেয়?

    ওয়েব হোস্টিং এর প্রকার? কোন হোস্টিং কি সুবিধা দেয়?

    বর্তমানে Web Hosting এর ক্ষেত্রে SSD hosting এর পাশাপাশি Cloud hosting ও খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আগে হোস্টিং ব্যবহারকারীরা নরমাল Hard disk এর Web Hosting ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরী বা পরিচালনা করত।

    তবে বর্তমানে নরমাল hosting এর ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে, কারন আমরা এখন অনেকেই SSD hosting ব্যবহার করি, আর এর কারন হল SSD hosting নরমাল hard disk থেকে অনেক ভালো সার্ভিস দিয়ে থাকে। SSD hosting এখন দ্রুত জায়গা দখল করছে , কারন আমরা সবাই আমাদের ওয়েবসাইটকে দ্রুতগতির করতে চাই, এতে site visitor রা সহজেই আমাদের site visit করতে পারে । আর নরমাল hosting থেকে  SSD hosting ২০ গুন দ্রুততর হয়, এতে বুঝতেই পারেছেন নরমাল হোস্টিং থেকে  SSD hosting এর গতি কতটা দ্রুততর । তবে বর্তমানে আপনি যদি বাইরের দেশের hosting কোম্পানী গুলো দেখেন, তারা নরমাল hard disk থেকে সরে এসে SSD hosting বা Cloud hosting বাজারজাত করছে। বর্তমানে আপনার সাইটকে দ্রুততর রাখার জন্য SSD hosting এর বিকল্প নাই।

    এছাড়া যারা নতুন করে সাইট তৈরী করে  বেশ কয়েক মাসের মধ্যে ভালো ভিজিটর এনে সাইটকে আস্তে আস্তে বড় করে, তখন তারা shared hosting  ছেড়ে ভালো Cloud hosting , SSD VPS ও Dedicated server এ যেতে চায় কিন্ত অনেকেই পারে না। আর না পারার কারন হচ্ছে  customer এর বাজেট কম থাকে, টেকনিক্যাল দিক দিয়ে দুর্বল থাকে আর কোনটা নিলে ভালো হবে ইত্যাদি সহ আরও বিভিন্ন বিষয়। সাইটে যদি ভিজিটর বেশি হয়, সাইট লোড নিতে সম্যসা হয়, ভিজিটর বেশি হলে সার্ভার ডাউন হয়ে যায়, এইসব সমস্যার সমাধানের জন্য Cloud Hosting ব্যবহার করা উচিৎ। এছাড়া ও নতুন Ecommerce, Affiliate site, AdSense blog এবং  ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তিগত Android app ও software ডেভেলপমেন্ট এর জন্য বর্তমানে Cloud Hosting  অনেক জনপ্রিয়।

    এখন আমি যে কথাগুলো বলব এগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে দেখুন বা পড়ুন। 

    আমরা ১০০ জনের ভিতর ৯৫ জন শেয়ার হোস্টিং নিয়ে শুরু করছি।

    তাই সবার উদ্দেশ্যে একটা কথা।

    শেয়ার হোস্টিং এর ভিতরে সব থেকে সিপ্যানেল হোস্টিং সব থেকে জনপ্রিয়.

    এই সিপ্যানেল হোস্টিং এর সব থেকে তিনটা টেকনোলজি প্রযুক্তি বেশি ব্যবহার করা হয়।

    যেমন, Apache ( ফ্রি ), nginx ( ফ্রি ) , LiteSpeed ( পেইড )

    Nginx : মোটামুটি ভালো তবে এটি ওপেনসোর্স এবং ফ্রি।

    Apach: Nginx থেকে একটু দুর্বল Apache , মোটামুটি ভালো তবে এটি ওপেনসোর্স এবং ফ্রি।

    LiteSpeed: এটি ফ্রি নয় এটি পেইড। লাইটস্পীড টেকনোলজি এবং সার্ভারের জগতে এরাই রাজা
    ওয়েব সার্ভারের এক অসাধারণ বিপ্লব হচ্ছে লাইটস্পীড টেকনোলজি। এর কর্মক্ষমতা আপাচি’র চেয়ে অনেক বেশী। একটা অ্যাপাচি সার্ভারের তুলনায় লাইটী ৬গুণ বেশী শক্তিশালী। লাইটী আপনার পিএইচপি’র পারফরম্যান্স অ্যাপাচি থেকে ৫০গুণ বাড়িয়ে দেয় mod_php ‘র সাথে। অ্যাপাচি’তে যেসব ফিচার আছে তা লাইটস্পীডেও পাবেন যেমন .httaccess, mod_rewrite, mod_security, mod_frontpage.

    লাইটস্পীড সার্ভার মূলত ডিজাইন করা হয়েছে সিকিউরিটি’র কথা মাথায় রেখে। লাইটীতে বিল্ড-ইন ডস বা ডিডস অ্যাটাকের জন্য সুরক্ষিত করা আছে। লাইটস্পীড চালিত সার্ভার স্ট্যাটিক ফাইল সার্ভ করার সময় ইউআরএলে যদি কোন ক্ষতিকর হিডেন কন্টেন্ট থাকে তাহলে সার্ভার তা ব্লক করে দেয়। যেকোন হ্যাকার মাত্রই জানে এইটা কিরকম সিকিউর সার্ভার। সার্ভারে ক্ষতিকর কন্টেন্ট যেমন শেল বাইপাস করা মোটামোটি দুস্কর।
    লাইটস্পীড vs অ্যাপাচিঃ
    অ্যাপাচি’তে কনফিগারেশন টেক্সট ফরম্যাটে থাকে কিন্তু লাইটস্পীডে এক্সএমএল ফরম্যাটে থাকে। অ্যাপাচি ম্যানুয়ালি আপডেট করতে হয় কিন্তু লাইটস্পীডে ম্যানুয়াল/অটো দুইই সাপোর্ট করে।

    লাইটস্পীড সার্ভারে হাই পারফরমান্স প্রক্সি বিল্ড-ইন থাকে কিন্তু অ্যাপাচি’তে অ্যাড-অন ইন্সটল করে ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া সিকিউরিটি রিলেটেড অন্যান্য জিনিস যেমন স্ট্যাটিক লোড ব্যালেন্সার, এলডিএপি, অ্যান্টি-ডিডস, কানেকশন থ্রটলসহ অনেক কিছু লাইটস্পীডে বিল্ড-ইন থাকে। অ্যাপাচি’তে উক্ত জিনিসগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে থার্ড পার্টি ইন্সটল করা লাগবে।
    বিশেষ করে যারা সিকিউরিটি নিয়ে চিন্তিত তারা চোখ বন্ধ করে চলে আসতে পারেন লাইটস্পীড টেকনোলজি’র জগতে।

    • শেয়ার্ড হোস্টিং (shared hosting)
    • V P S (Virtual private server)
    • ডেডিকেটেড হোস্টিং (dedicated server)
    • ক্লাউড হোস্টিং (cloud hosting)

    চলুন এই সব রকমের ওয়েব হোস্টিংয়ের প্রকার গুলির বেপারে জেনেনেই ডিটেল্সে।

    শেয়ার্ড হোস্টিং কি ? What is shared hosting ?

    শেয়ার হোস্টিং এর মানে হলো, ওয়েব হোস্টিং কে শেয়ার (share) করা। মানে, একটি web server অনেক গুলি ওয়েবসাইট শেয়ার করবেন। উদাহরণ স্বরূপে, ভেবেনিন একটি ঘর আছে এবং আপনারা অনেক বন্ধুরা সেই ঘর শেয়ার করে বা ভাব করে থাকছেন। এই ক্ষেত্রে, আপনার ঘর হলো web server এবং এবং আপনি আর আপনার বন্ধুরা যারা ঘর ভাগ করে থাকছেন তারা একটি একটি ওয়েবসাইট।

    এতে, আপনার লাভ এটাই যে, আপনাদের ঘর ভাড়া সব বন্ধুরা মিলেই দিতে পারবেন। এতে আপনার অনেক কম টাকা দিতে হবে। Shared hosting এর ক্ষেত্রেও, আমরা একটি web server অনেক গুলি ওয়েবসাইট বা ব্লগের সাথে শেয়ার করি, এতে আমাদের এর জন্য অনেক অনেক কম টাকার প্রয়োজন হয়। শেয়ার্ড হোস্টিং আপনি অনেক কম টাকায় কিনেনিতে পারবেন। এবং, একটি নতুন ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য shared hosting লোকেরা বেবহার করেন।

    Shared hosting এর কিছু লাভ

    • অনেক সস্তায় এবংকম দামেই কিনতে পারবেন।
    • একটি নতুন ওয়েবসাইটেরজন্য সেরা হোস্টিং।
    • শেয়ার্ড হোস্টিং এর দাম এর কথা বললে, আপনি Rs.৫০ থেকে Rs.২০০ (monthly) ভেতরে ভালো শেয়ার্ড হোস্টিং কিনতে পারবেন। এমনিতে অনেক shared hosting company রয়েছেন যারা ফ্রীতেই হোস্টিং দেন।

    BizTech এর কিছু শেয়ার হোস্টিং প্যাকেজ দেখেনিন এখানে ক্লিক করে

    ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং কি ? (Virtual private server)

    ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার shared hosting থেকে অনেক হাজার গুনেই ভালো। তবে হে, VPS সার্ভার আমরা তখন নেই যখন আমাদের ওয়েবসাইটে ভিসিটর্স বা ট্রাফিক অনেক আসেন এবং যখন আমাদের ওয়েবসাইট অনেক popular হয়ে যায়। প্রথম অবস্থায়, vps হোস্টিং নেয়ার প্রয়োজন আমি মনে করিনা।

    তাহলে এই ভি পি এস (vps) হোস্টিং বললে আমরা কি বুঝি। যেমন, একটি বিল্ডিং (building) এ অনেকগুলি রুম (room) বানানো থাকে ঠিক সেভাবেই এই প্রকারের হোস্টিং এ একটি ওয়েব সার্ভার অনেক গুলি ভাগে ভাগ করা হয়। এবং, যেভাবে আপনি কিনে নেয়া রুমে কেবল আপনার অধিকার থাকে ঠিক সেভাবেই vps server এ আপনি কিনে নেয়া ভাগে কেবল আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগের অধিকার থাকবে। আপনি, যেই ভাগটা কিনবেন সেটা কেবল আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এবং অন্যকেও সেই ভাগ ব্যবহার করতে পারবেনা। এইটা আপনার private web server এর মতোই।  এবং, এটাই কারণ যে vps server বা vps hosting অনেক দ্রুত (fast) এবং এ বেশি ট্রাফিক বা ভিসিটর থাকা ওয়েবসাইটের জন্য লাভদায়ক।

    ভি পি এস হোস্টিং এর কিছু লাভ

    • Security র হিসাবে দেখতে গেলে vps server অনেক নিরাপদ  (secure).
    • অনেক দ্রুত এবং এর কর্মক্ষমতা অনেক উচুস্থরের।
    • Share hosting থেকে অনেক গুন্ বেশি ট্রাফিক বা ভিসিটর এ হাতল (handle) করতে পারে।
    • আজকাল ভি পি এস (vps) হোস্টিং প্রায় Rs.১০০০ থেকে Rs.১৫০০ (monthly) ভেতরে আপনি পেয়েযাবেন।

    ডেডিকেটেড হোস্টিং কি ? (Dedicated web hosting)

    ডেডিকেটেড হোস্টিং অন্য হোস্টিং থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ, শেয়ার্ড হোস্টিং এ আপনাকে একটি ওয়েব সার্ভার অসংখ ওয়েবসাইটের সাথে শেয়ার করতে হয় এবং vps hosting এ আপনাকে ওয়েব সার্ভার এর একটি ভাগ দিয়ে দেয়া হয় যেটা কেবল আপনার।

    কিন্তু, ডেডিকেটেড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে একটি পুরো ওয়েব সার্ভার দিয়ে দেয়া হয় যেটা কেবল আপনার। এবং, সেই ওয়েব সার্ভারে কেবল আপনার ওয়েবসাইট এবং তার ফাইল হোস্ট করা থাকবে। ঠিক তেমনি, যখন আপনি একটি room নয় পুরো বিল্ডিং (building) টাই কিনে নিলেন এবং তার পর তাতে কেবল আপনার থাকার অধিকার থাকলো।

    ডেডিকেটেড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে, কেবল একটি ওয়েবসাইট একটি সার্ভারে হোস্ট থাকার কারণে সেই ওয়েবসাইট অনেক বেশি ফাস্ট এবং দ্রুত কাজ করবে এবং নিরাপত্তার (security) দিকদিয়ে দেখলে এ অনেক নিরাপদ (secure).

    কিন্তু, মনে রাখবেন, এই হোস্টিং তখন প্রয়োজন হবে যখন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট অনেক বেশি ট্রাফিক আসবে। এবং, ডেডিকেটেড সার্ভারের দাম অনেক অনেক বেশি।

    ডেডিকেটেড হোস্টিং এর কিছু লাভ

    • অনেক বেশি ট্রাফিক বা ভিসিটর্স handle করতে পারে।
    • এই রকমের হোস্টিং অনেক নিরাপদ (secure) .
    • কর্মক্ষমতা অন্যদের থেকে অনেক গুনে বেশি।
    • ওয়েবসাইট বা ব্লগ অনেক দ্রুত কাজ করবে।
    • Dedicated server আপনি মিনিমাম Rs.৬০০০ (monthly) থেকে কিনতে পাবেন। কিছু ক্ষেত্রে আরো অনেক বেশি।

    ক্লাউড হোস্টিং কি ? (Cloud hosting)

    ক্লাউড হোস্টিং আজ ব্লগার এবং ওয়েবসাইট মালিকদের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রচলিত এবং ভরসার হোস্টিং সার্ভিস হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এর কর্মক্ষমতা এবং স্পিড অনেক উন্নত মানের এবং এই হোস্টিং অনেক নিরাপদ। যাওয়া কিছু বছরে, cloud hosting অনেক জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং, আমি নিজেই আমার ব্লগের জন্য ক্লাউড হোস্টিং বেবহার করছি।

    আসলে ক্লাউড হোস্টিং এ অনেক গুলি ওয়েব সার্ভার একসাথেই রাখা হয় এবং তাই আপনি আপনার প্রয়োজন হিসেবে সার্ভারের কিছু প্রয়োজনীয়তা যেমন cpu, RAM বা storage বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারবেন। এতে, যখনি আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিসিটর বাড়বে আপনি অনেক সহজে সেই হিসেবে নিজের ওয়েব সার্ভারের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

    এবং, সময়ে আপনি কর্মক্ষমতা কমিয়েও নিতে পারবেন। ক্লাউড হোস্টিং এ ওয়েবসাইট ডাউন হওয়ার সুযোগ অনেক কম এবং বেশি ট্রাফিক এ হ্যান্ডেল করতে পারে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও আপনি ক্লাউড ওয়েব সার্ভারকে ভরসা করতে পারবেন।

    উড হোস্টিং এর কিছু লাভ  

    • সার্ভার ডাউন (server down) হওয়ার সুযোগ অনেক কম।
    • কর্মক্ষমতা অনেক উন্নত এবং বেশি। এবং, নিজের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে বাড়ানো বা কমানো যাবে।
    • ওয়েবসাইটের বেশি ট্রাফিক বাভিসিটর হ্যান্ডেল (handle) করতে পারে।
    • ক্লাউড হোস্টিং এর দাম তার কর্মক্ষমতা হিসেবে তেমন কোনো বেশি নয়। Rs.৪০০ (monthly) থেকে Rs.১০০০ (monthly) এর ভেতরে ক্লাউড হোস্টিং পেয়েযাবেন। এখানে দাম আপনার প্রয়োজনীয়তা (cpu, ram এবং storage) এর ওপরে নির্ভর করে।

    হোস্টিং ব্যান্ডওয়াইডথঃ
    ব্যান্ডওয়াইডথ হচ্ছে সার্ভার থেকে ইউজারের (ইউজার হচ্ছে ঐ ব্যাক্তি যে আপনার সাইটটি ব্রাউজ করে) কম্পিউটারে মাসে কতটুকু ডেটা transfer হবে।যদি আপনার সাইট অনেক বিখ্যাত হয় এবং প্রতিদিন হাজার হাজার বার ভিজিট হয় তাহলে আপনার অনেক ব্যান্ডওয়াইথ লাগবে।অনেকে অল্প ব্যান্ডোয়াইথ নেয় হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে ফলে মাসের মাঝখানে সাইট damage হয়ে যায়।মনে হয় সে ধারনাই করতে পারেনাই যে তার সাইট টি এত লোক ভিজিট করবে।হোস্টিং প্রোভাইডাররা তাদের প্যাকেজগুলোতে প্রতিটি প্যাকেজের জন্য আলাদা আলাদা ব্যান্ডোয়াইথ নির্দিষ্ট করে দেয় যেমন 5GB, 8GB ইত্যাদি।আপনার কোনটি দরকার তা হিসেব করে দেখবেন নিচে একটা হিসেব করার নিয়ম দেয়া হল-

    পেজের গড় সাইজ * আনুমানিক মাসে কতবার পেজ ভিজিট হবে

    যদি পেজের সাইজ গড়ে 30KB হয় আর আপনার অনুমান মাসে 50,000 বার পেজ দেখা হবে তাহলে আপনার মাসে ব্যান্ডওয়াইথ দরকার হবে 0.03MB*50000=1.5GB

    বড় বড় কমার্শিয়াল সাইটগুলির মাসে 1000GB এর চেয়েও বেশি ব্যান্ডওয়াইথ খরচ হয়।

    নোটঃ সাইটকে দ্রুততর করার জন্য শেয়ারড হোস্টিং এর উপর নির্ভর না করাই ভালো। কেননা এগুলো দেখতে বেশ আকর্ষণীয় (আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ এবং স্টোরেজ) মনে হলে ও যখন ট্রাফিক বেশি হয় তখন আর কাজ করে না, এমন কি অফলাইনে ও চলে যায়। তাই নির্ভরযোগ্য দেখে একটা প্ল্যান ক্রয় করুন। ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য ভিপিএস সার্ভার হোস্টিং বা ম্যানেজড ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টি ইত্যাদি ট্রাই করতে পারেন।