যতই দিন যাচ্ছে ততই ইন্টারনেটের ব্যাবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে সাধারন ব্যাবসা-বাণিজ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক ই-বাণিজ্য বেড়েই চলেছে। বিখ্যাত ই-কমার্স কোম্পানি অ্যামাজন ও আলি এক্সপ্রেসের কথা আমরা সবাই জানি। বর্তমানে তারা একচেটিয়ে কিভাবে অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করছে। তারই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশেও এখন অনেক ই-কমার্স সাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় Daraz, Ajker Deal ইত্যাদি।
আপনি যদি একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে একটি ই-কমার্স সাইট প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে প্রথমে আপনার প্রয়োজন হবে একটি ভালো মানের ডোমেইন ও হোস্টিং। কিন্তু নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বেশ কিছু সমস্যা হয়ে দাড়ায় যখন তারা এসব বিষয়ে কোন জ্ঞান ও দক্ষতা না থাকলে। তাই আজকের আলোচনায় আমরা “ই-কমার্স কি? এবং কিভাবে আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা হোস্টিং কিনবেন ?” এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক…
আপনি যদি ডোমেইন ও হোস্টিং সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাদের আগের পোস্ট গুলো পড়ে নিতে পারেন। আশাকরি বিস্তারিত জানতে পারবেন।
Table of Contents
ই-কমার্স কি? (What is E-commerce)
যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট ডোমেইন কিনবেন
যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা হোস্টিং প্লান কিনবেন
পরিশেষে
ই-কমার্স কি? (What is E-commerce)
ই-কমার্স (E-commerce) এর ফুল ফর্ম হলো ইলেক্ট্রনিক কমার্স (Electronic Commerce)। সাধারনত, ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য হলো এমন একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/ বিক্রয় হয়ে থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে। যেমন- অনলাইন শপিং, নিলাম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ইত্যাদি পদ্ধতি হলো ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য।
যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট ডোমেইন কিনবেন
ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে আপনার পছন্দ অনুযায়ী সাইটের নাম ঠিক করা। তারপর পছন্দ অনুযায়ী নামে ডোমেইন খালি আছে কি না তা দেখা। কারণ এই নামেই আপনার প্রতিষ্ঠান পরিচিতি পাবে। নিচে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
* প্রথমত আপনার ব্যবসার পণ্য বা সেবার সঙ্গে মিল রেখে ডোমেইন নাম পছন্দ করুন। অর্থাৎ ডোমেইন নামটি Brandable রাখার চেষ্টা করা
* ডোমেইন নামে কোন সিম্বল বা হাইপেন ব্যাবহার করবেন না। সেই সাথে ছোট ও সহজে মনে রাখা যায় এমন ডোমেইন নাম সিলেক্ট করুন। এতে আপনার সাইট যাঁরা দেখবেন, তাঁদের নামটা মনে রাখা সহজ হবে।
* সাধারণত .com ডোমেইন ৮৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করা যায় । মেয়াদ শেষে নবায়ন (রিনিউ) করতে হয়।
* রেজিস্ট্রেশন করার পর ডোমেইনের নিয়ন্ত্রণ (কন্ট্রোল প্যানেল) নিজের হাতে নেবেন। কন্ট্রোল প্যানেল দিতে পারবে না এমন সেবাদাতা বা প্রোভাইডারের কাছ থেকে ডোমেইন কেনা যাবে না। আপনি চাইলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ডোমেইন কিনতে পারবেন।
যেভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য সেরা হোস্টিং প্লান কিনবেন
একটা ই-কমার্স (E-commerce) সাইটের জন্য ডোমেইনের পরেই যেটা বেশি প্রয়োজন, সেটা হলো হোস্টিং। মূলত আপনি যে সাইটটা তৈরি করবেন, সেটার যাবতীয় ডাটা, ফাইল ও দরকারি জিনিসপত্র সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য একটি স্পেস বা জায়গা প্রয়োজন। আর সেই নির্ধারিত স্পেস বা জায়গা কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের হোস্টিং। আপনি চাইলে যেকোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও ভালো মানের হোস্টিং প্যাকেজ কিনতে পারবেন। হোস্টিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: শেয়ারড হোস্টিং, ভিপিএস (ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট সার্ভার) হোস্টিং, ক্লাউড হোস্টিং, রিসেলার হোস্টিং, ডেডিকেটেড হোস্টিং ইত্যাদি।
এখন এগুলো হোস্টিং সার্ভিসের মধ্যে আপনি কোনটা বেছে নিবেন। সেটা হলো জানার বিষয়। নিম্নে এ বিষয়ে আলোচনা করা হলো।
শেয়ারড হোস্টিংঃ শেয়ারড হোস্টিং মানেই হচ্ছে এক পিসিতে একটা হার্ড ডিস্ক থাকবে সেই হার্ড ডিস্ক এর সব স্পেস শেয়ার করা হয় অনেকে হোস্টিং ইউজারদের মধ্যে। এ ধরনের হোস্টিং ই-কমার্স সাইটের জন্য অনুপযোগী। অধিক সংখ্যক ভিজিটর সাইটে এলেই সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়ার চান্স আছে। সাধারণত ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে (প্রতি মাসিক ভাড়া) আপনি এই হোস্টিং কিনে ব্যাবহার করতে পারবেন।
ভিপিএস হোস্টিংঃ ভিপিএস এর ফুল ফর্ম হলো ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট সার্ভার। যখন একটা কম্পিউটারকে বিশেষ কোন Software বা অন্য কিছু দিয়ে ভাগ করে অনেক গুলো সার্ভার তৈরি করা হয় তখন প্রত্যেক ভাগকে এক একটা ভিপিএস বা ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট সার্ভার বলে। ই-কমার্স সাইটের জন্য এটি ব্যাবহার করতে পারবেন। তবে এটার ব্যবস্থাপনা একটু কষ্টসাধ্য এবং শেয়ারড হোস্টিং এর মতো সার্ভার কম ডাউন হয়। একটি ভালো ভিপিএস সার্ভারের মাসিক ভাড়া চার হাজার টাকা থেকে শুরু।
ডেডিকেটেড হোস্টিংঃ সহজ ভাষায় বললে যখন একটা কম্পিউটার পুরটাই একটা সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয় তখন এটাকে বলে ডেডিকেটেড সার্ভার। আর এই ডেডিকেটেড সার্ভার এর হোস্টিং কে আমরা বলি ডেডিকেটেড হোস্টিং । ডেডিকেটেড সার্ভার অনেক ব্যয়বহুল। যাদের ওয়েবসাইট অনেক বড় এবং বেশি নিরাপত্তার প্রয়োজন হয় তাদের জন্য এই হোস্টিং সার্ভিস টি ভালো। ই-কমার্স সাইটের জন্য ডেডিকেটেড হোস্টিংয়ের সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। ডেডিকেটেড সার্ভারের মাসিক ভাড়া কমবেশি ছয় হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।
ক্লাউড হোস্টিংঃ যখন কোনো ওয়েবসাইট হোস্ট করা হয়, তখন তা একটি সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। কিন্তু ক্লাউড হোস্টিংয়ে সাইটটি একটি সার্ভারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। অর্থাৎ প্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে পারে। তাই একই সময়ে বেশি মানুষ সাইটে গেলেও সার্ভার ডাউন হয় না। তাই ই-কমার্স সাইটের জন্য প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ক্লাউড হোস্টিং। তবে এখানে প্রধান সমস্যা হল প্রায় ৮০ শতাংশ ক্লাউড হোস্টিং প্রভাইডাররা সাধারণত ক্লাউড হোস্টিং এর নামে KVM হোস্টিং প্রদান করে। তাই ইউজার দের থেকে জেনে নিতে পারলে ভালো হয় প্রভাইডার এর সার্ভিস সম্পর্কে।
পরিশেষে,
আপনি যদি ওয়েব হোস্টিং নিতে চান তাহলে সহজেই BizTechএর থেকে নিতে পারেন। তাদের সকল হোস্টিং প্যাকেজসমূহ বিশ্বের সবচেয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি কন্ট্রোল প্যানেল ডব্লিউএইচএম/সিপ্যানেল সম্পন্ন। তাই এটা বিশ্বস্ত, সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি।
ই-কমার্স বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন হলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে নতুন উদ্যোক্তারা ধিরে ধিরে এই ই-কমার্স ব্যাবসার এর সাথে জরিত হচ্ছেন। তাই আপনি যদি একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে একটি ই-কমার্স সাইট প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে উপরোক্ত আলোচনা আপনার জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করবে বলে সেই আশাবাদ ব্যাক্ত রেখে এখানেই শেষ করছি।
আর লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপনার সুচিন্তিত মতামত আমাদের একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।
আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে সর্বপ্রথম আপনার প্রয়োজন হবে একটি ডোমেইন তারপর সেই ডোমেইনটি হোস্ট করার জন্য ভালো মানের একটি হোস্টিং সার্ভার। বর্তমানে বাংলাদেশে অসংখ্য হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে যারা কিনা ভালো মানের হোস্টিং সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
পূর্বে এসব দেশীয় কোম্পানী হতে ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস গ্রহণের ক্ষেত্রে নানাবিধ অসুবিধা ছিলো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেসব প্রতিষ্ঠানের পেশাদারি চেষ্টায় সেই অসুবিধা গুলো অনেকটা সমাধান হতে চলেছে। আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির যুগে র্স্মাট হোস্টিং সার্ভিস এখন সময়ের দাবী। তারই প্রেক্ষিতে বিদেশি কোম্পানির পাশাপাশি অনেক দেশীয় হোস্টিং কোম্পানি এখন সুনামের সাথে এসএসডি হোস্টিং; ভিপিএস হোস্টিং; ডেডিকেটেড হোস্টিং; ক্লাউড হোস্টিং; ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ও এসএসএল সার্টিফিকেট সার্ভিস প্রদান করে চলেছে।
এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হোস্টিং কোম্পানীগুলো বিভিন্ন উপলক্ষ্যে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়ে থাকে। আবার এর মধ্যে অনেক হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে যারা কিনা হোস্টিং প্যাকেজ কিনার আগে নিজেদেরকে সেরা দাবী করলেও পরবর্তীতে দেখা যায় তাদের সার্ভিস তুলনামূলক ভাবে অনেক খারাপ। বিশেষ করে ব্যান্ডউইথ, আপটাইম, লোডিং স্পিড, কাস্টমার সাপোর্ট ইত্যাদি বিষয় গুলোর ক্ষেত্রে সর্বদা সমস্যা লেগেই থাকে। তাই এসব সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে হোস্টিং কোম্পানীর সার্ভিসের মান যাচাই বাছাই না করে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো অবকাশ নেই। তাই আজকের আলোচনায় আমরা “হোস্টিং সার্ভিস গ্রহণের আগে যেসব বিষয় গুলো জেনে একটি ভালো মানের হোস্টিং প্যাকেজ কিনা উচিত” সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক–
Table of Contents
হোস্টিং সেবা গ্রহণের আগে যে বিষয় গুলো জানবেন
পরিশেষে
হোস্টিং সেবা গ্রহণের আগে যে বিষয় গুলো জানবেন
* প্রথমত, হোস্টিং সার্ভিস প্রদানের ব্যাপারে কোম্পানীর সুনাম আছে কিনা? প্রয়োজনে তাদের রিভিউস চেক করবেন।
* পিওর এসএসডি হোস্টিং অন্যান্য নরমাল হোর্স্টিং থেকে ২০ গুন বেশী গতিসম্পন্ন। বর্তমানে পিওর এসএসডি ছাড়া হোস্টিং নেয়া ঠিক নয়। তাই জেনে নিন হোস্টিং কোম্পানি সুপার ফাস্ট পিউর এসএসডি স্পেস দিচ্ছে কিনা?
* হোস্টিং কোম্পানির সার্ভার আপগ্রেড অপশনস আছে কিনা? এবং ওর্য়াডপ্রেস ও ই-কর্মাস স্টোর অপটিমাইজড হবে কিনা?
* ডাটা ব্যাকআপ অ্যান্ড ইজি রিস্টোরেশন অপশন আছে কিনা?
* আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ, বিজিনেস ইমেইল, সাবডোমেইন সুবিধা আছে কিনা?
* প্রয়োজনে যেকোনো বিষয়ে সময়মত (২৪/৭ ফ্রেন্ডলি কাস্টমার সাপোর্ট) রিপ্লাই দেয় কিনা? এছাড়া ফোন; ইমেইল; কিংবা ওয়েবচ্যাট সিস্টেমের মাধ্যমে কোন ডেডিকেটেড সার্পোট সংযুক্ত আছে কিনা?
* 1 Click অটো অ্যাপস ইন্সটলার আছে কিনা?
* ফ্রী ওয়েব সাইট ট্রান্সফার আছে কিনা? নাকি নির্ধারিত চার্জ দিতে হবে?
* কোন হিডেন চার্জ এবং সেটআপ ফী আছে কিনা?
* কোম্পানীর পেমেন্ট সিস্টেম অনলাইনে ভিত্তিক কিনা? সেই সাথে প্রথম বছর হোস্টিং ফি কম নিয়ে দ্বিতীয় বছর রিনিউ করার সময় দ্বিগুন নেবে কিনা?
* রিনিউ করার জন্য কতদিন আগে নোটিশ করবে? আবার সময়মত রিনিউ করতে না পারলে কতদিনের সুযোগ দেবে?
* মানি ব্যাক গ্যারান্টি ও ফ্রি ট্রায়াল পিরিয়ড সুবিধা আছে কিনা?
পরিশেষে
উপরে বর্ণিত টেকনিক্যাল বিষয় গুলো ছাড়াও আপনার ব্যবসায়ের ধরণ ও সাইটের বৈশিষ্ট্য অনুসারে আরও যেসব সুযোগ সুবিধা প্রয়োজন আপনি চাইলে সেগুলো নোট ডাউন করে নিতে পারেন। যাতে করে পরবর্তীতে এটা নিয়ে আপনাকে আর কোনো ঝামেলায় পড়তে না হয়।
এছাড়া বেশির ভাগ হোস্টিং কোম্পানিরই নিজস্ব কল সেন্টার ও সাপোর্ট টিম রয়েছে। আপনি চাইলে কোম্পানির ওয়েব সাইট ভিজিট এর পাশাপাশি ফোন করেও তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
যদি আপনি ওয়েব হোস্টিং নিতে চান তাহলে সহজেই BizTechএর থেকে নিতে পারেন। তাদের সকল হোস্টিং প্যাকেজসমূহ বিশ্বের সবচেয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি কন্ট্রোল প্যানেল ডব্লিউএইচএম/সিপ্যানেল সম্পন্ন। তাই এটা বিশ্বস্ত, সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি।
পাশাপাশি লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনার সুচিন্তিত মতামত আমাদের একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।
সাধারনত, আমরা সবাই জানি যে, কোন ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ইমেজ ভিডিওস এবং বিভিন্ন ফাইল সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য একটি স্পেস বা জায়গা প্রয়োজন। আর সেই নির্ধারিত স্পেস বা জায়গা কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের হোস্টিং বা ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting)। আবার হোস্টিং এর রয়েছে বিভিন্ন প্রকারভেদ।রিসেলার হোস্টিং তার মধ্যে একটি ও অন্যতম। এই হোস্টিং এর মাধ্যমে একই অ্যাকাউন্ট এর মালিক তার নিজের হোস্টিং ব্যাবহার করে তার গ্রাহককেও ওয়েব হোস্টিং সেবা প্রদান করতে পারে বলে বর্তমানে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমাদের এই বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকার কারনে আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আজকের আলোচনায় আমরা “রিসেলার হোস্টিং কি? এবং রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ” নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক–
Table of Contents
রিসেলার হোস্টিং কি (What is Reseller Hosting)?
রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা সমূহ
রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন অসুবিধা সমূহ
পরিশেষে
রিসেলার হোস্টিং কি (What is Reseller Hosting)?
রিসেলার হোস্টিং অনেকটা শেয়ার্ড হোস্টিং এর মতই। বিভিন্ন হোস্টিং প্রোভাইডার এর কাছে থেকে কিনে যারা মার্কেটে সেল করে সেই হোস্টিং গুলোই মূলত রিসেলার হোস্টিং। নিচের উদাহরণ টি পড়লে আপনি আরও ভালো বুঝতে পারবেন।
ধরুন, আপনি একজন ওয়েবডেভেলপার এবং আপানার বেশ কিছু নিজস্ব ক্লায়িন্ট আছে যাদের ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রয়োজন। তারা আপনাকে একটি ভাল মানের ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার এর থেকে একটি ভালো মানের হোস্টিং সার্ভিস নিয়ে তার ওয়েবসাইটের ডিজাইন করতে বলল । সে ক্ষেত্রে আপনি নিজেই রিসেলার প্যাকেজ কিনে নিজের মত প্যাকেজ তৈরি করে আপানার ক্লায়িন্ট এর কাছে বিক্রি করলেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটা হলো রিসেলার হোস্টিং ।
বর্তমানে অনেক রিসেলার রয়েছেন যারা এই প্রক্রিয়ায় ভালো টাকা আয় করছেন। রিসেলার হোস্টিং (Reseller Hosting) প্যাকেজ প্লান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
Reseller Hositng
রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন সুবিধা সমূহ
১) একটি ভালো মানের হোস্টিং কোম্পানি হতে রিসেলার এর মাধ্যমে আপনার ক্রয়কৃত হোস্টিং প্যাকেজটি নিজের সুবিধামত প্লান তৈরি করে আপনার গ্রাহকদের কাছে সেল করতে পারবেন।
২) রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজের এর প্রত্যেকটি গ্রাহকদের জন্য আলাদা আলাদা প্লানের বিস্তারিত বিষয়ে আপনি নিজেই হিসাব রাখতে পারবেন।
৩) রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজের অ্যাকাউন্ট গুলো গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এমনভাবে তৈরি করা হয়ে থাকে যাতে করে পরবর্তীতে সেবা গ্রাহকদের কাছে অতি কম সময়ে এবং সহজেই হস্তান্তর করা যেতে পারে।
৪) বিভিন্ন হোস্টিং সার্ভিস সফটওয়্যার ও সিস্টেম। যেমন- WHM, Domain Reseller Account, Client Area ইত্যাদি। যা রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে।
৫) রিসেলার হোস্টিং অ্যাকাউন্ট গুলোর স্টোরেজ এবং ব্যান্ডউইড প্রয়োজনমতো আপগ্রেড করা যায় বলে রিসেলার প্রতিষ্ঠানগুলোই সব সেবা সমূহ প্রদান করে। যার ফলে হোস্টিং সম্পর্কিত সেবা সমূহ নিতে আপনার অন্য কোথাও যাবার প্রয়োজন হয় না।
সাধারণত, যে কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গ্রাহকদের কাছে ব্যবসায়িক আস্থা অর্জন। তাই ভালো মানের রিসেলার হোস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের রিসেলার হোস্টিং সার্ভিস এর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ইনফরমেশন ও সাপোর্ট প্রদান করে থাকে। যাতে করে আপনার রিসেলার হোস্টিং এর গ্রাহকেরা সহজেই আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারে।
রিসেলার হোস্টিং এর বিভিন্ন অসুবিধা সমূহ
একটা বিষয়ের যেমন ভালো দিক থাকে ঠিক তেমনি খারাপ দিকও থাকে। তাই রিসেলার হোস্টিং এর যেমন বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে ঠিক তেমনি বিভিন্ন অসুবিধাও রয়েছে। নিম্নে সেগুলো আলোকপাত করা হলো-
১) সাধারণত, শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজ প্লান থেকে রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজ প্লান একটু ব্যয়বহুল হয়ে থাকে।
২) রিসেলার হওয়া মানে আপনার গ্রাহকদের যাবতীয় হোস্টিং সম্পর্কিত দায়িত্ব স্থায়ীভাবে ভাবে নিজের কাধে নেওয়া। তাই আপনি যদি রিসেলার হোস্টিং প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর কাছ থেকে সার্ভার সম্পর্কিত পর্যাপ্ত সুবিধা না পান সেটা আপনার সমস্যার কারন হতে পারে।
৩) রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজে যদি প্রতিনিয়ত গ্রাহক বাড়তে থাকে তাহলে আপনার রিসেলার হোস্টিং প্লান আপগ্রেড করার প্রয়োজন হবে।
৪) ভিপিএস ও ডেডিকেটেড হোস্টিং এর তুলনায় রিসেলার হোস্টিং ব্যাবহারকারি ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড, সার্ভার পারফর্মেন্স তুলনামূলক ভাবে অনেক কম হয়।
৫) ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মতো একটা কম্পিউটার পুরটাই একটা সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন না।
পরিশেষে
যদি আপনি রিসেলার ওয়েব হোস্টিং এর বিজিনেস শুরু করতে চান তাহলে সহজেই BizTechএর সাথে শুরু করতে পারেন। তাদের সকল রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজসমূহ বিশ্বের সবচেয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি কন্ট্রোল প্যানেল ডব্লিউএইচএম/সিপ্যানেল সম্পন্ন। তাই এটা বিশ্বস্ত, সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি।
পক্ষান্তরে আপনি যদি রিসেলার ওয়েব হোস্টিং এর বিজিনেসের জন্য সিদ্ধান্ত না নিয়ে থাকেন তাহলে আপনি তাদের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে Sign Up করে আপনার অর্থ উপার্জন করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখনি ভিজিট করুন তাদের ওয়েবসাইটে।
আশাকরি উপরের সার্বিক আলোচনা হতে আপনি রিসেলার হোস্টিং কি? এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না । আর এ বিষয় নিয়ে আপনার মনে যদি কোন প্রশ্ন কিংবা মতামত থেকে থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।
যতই দিন যাচ্ছে ততই ইন্টারনেটের ব্যাবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে সাধারন ব্যাবসা-বাণিজ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক E-commerce বা ই-বাণিজ্যর ব্যাপক প্রসার ঘটছে। আমরা যারা প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি তাদের কাছে ‘ব্যান্ডউইথ’ (Bandwidth) শব্দটি অনেক পরিচিত বিষয়। তাই আজকের পোস্টে আমরা “ হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি এবং কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ?” নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
Table of Contents
হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি?
কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ:
পরিশেষে
হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি?
কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) বলতে প্রতি সেকেন্ডে বা প্রতি একক সময়ে নির্ধারিত ডাটা (Data) স্থানান্তরের হারকে বুঝায়। সাধারণত, এই ব্যান্ডউইথ এর হিসাব করা হয় BPS (বিট পার সেকেন্ড) হিসাবে। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডাটা ট্রান্সফার হচ্ছে তার পরিমান হলো ব্যান্ডউইথ।
আর হোস্টিং ব্যান্ডউইথ হচ্ছে কোন একটি সার্ভার থেকে প্রত্যেক ইউজারের (যিনি আপনার সাইটটি ব্রাউজ করবে) কম্পিউটারে প্রতি সেকেন্ডে বা প্রতি একক সময়ে কতটুকু পরিমান ডাটা ট্রান্সফার হবে।
যদি আপনার ওয়েবসাইটটি অনেক পপুলার হয়ে থাকে এবং প্রতিদিন হাজার হাজার অথবা মাসে লাখ লাখ ভিজিটর উক্ত সাইটটি ভিজিট করে। তাহলে সাধারণ ভাবেই আপনার অনেক ব্যান্ডউইথ লাগবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি অল্প পরিমান ব্যান্ডউইথ প্যাকেজ ব্যবহার করেন তাহলে দেখা যাবে যে মাসের মাঝখানে আপনার ওয়েবসাইটটি ড্যামেজ (Damage) হয়ে যাবে। তাই হোস্টিং প্রোভাইডারদের কাছ থেকে আপনার পছন্দের হোস্টিং প্যাকেজে কি পরিমান বা কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নিবেন তা আগে থেকেই হিসাব বা নির্ধারণ করে নেওয়া উচিত। চলুন নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক……
কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ:
সাধারণত, সকল ডোমেইন ও হোস্টিং কোম্পানি গুলো তাদের নির্ধারিত প্রতিটি হোস্টিং প্যাকেজের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকেন। যেমন: 30 GB Bandwidth, 60 GB Bandwidth, 120 GB Bandwidth ইত্যাদি। তবে হোস্টিং স্পেসের উপর নির্ভর করে ব্যান্ডউইথ এর পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে। এখন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য কতুটুকু ব্যান্ডউইথ দরকার তা হিসেব করে যে কোন একটি হোস্টিং প্যাকেজটি কিনে নিবেন। আপনার বোঝার সুবিধার জন্য নিচে একটি হিসাব করে দেখানো হলো। যাতে করে, উক্ত ব্যান্ডউইথ হিসাবটি আপনিও খুব সহজে করতে পারেন।
What is Hosting Bandwidth?
উদাহরনস্বরূপ, আপনার ওয়েবসাইটিতে ৫ টি ওয়েবপেজ রয়েছে এবং প্রতিটি ওয়েবপেজের সাইজ ১০০ KB (কিলোবাইট)। এখন ধরা যাক, প্রতিদিন ৫০০ জন ভিজিটর গড়ে ৫টি করে পেজ ভিজিট করে । তাহলে মোট ব্যান্ডউইথ দরকার হবে (৫০০ ভিজিটর × ৫ ওয়েবপেজ × ওয়েবপেজের সাইজ ১০০ KB) টোটাল = ২,৫০,০০০ KB (কিলোবাইট) বা ২৪৪.১৪ MB (মেগাবাইট)। এছাড়া আপনার সাইটটিতে যদি প্রতিদিন কন্টেন্ট আপডেট করতে থাকেন অথবা যে কোন সার্ভিস প্রদান করে থাকলে অবশ্যই ভিজিটর বাড়তে থাকবে। তাই শুরুতেই আপনাকে আনুপাতিক হিসাবের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণ ব্যান্ডউইট কিনতে হবে।
উল্লেখ্য যে, ভবিষ্যতে কোন কারনে যদি আরো বেশি ব্যান্ডউইথের প্রয়োজন হয় তাহলে কত টাকা মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটা আগে থেকেই জেনে নিবেন। তাছাড়া অনেক কোম্পানি পরে সুযোগ বুঝে দামটা বেশি নিয়ে থাকে। যদিও আজকাল অনেক ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে তাদের সার্ভারের Maximum Bandwidth Capacity এবং Loading Speed সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।
পরিশেষে
আশাকরি উপরের সার্বিক আলোচনা হতে আপনি হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি এবং কতটুকু হোস্টিং ব্যান্ডউইথ নেওয়া উচিৎ? সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না । আর এ বিষয় নিয়ে আপনার মনে যদি কোন প্রশ্ন কিংবা মতামত থেকে থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।
বর্তমানে Web Hosting এর ক্ষেত্রে SSD hosting এর পাশাপাশি Cloud hosting ও খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আগে হোস্টিং ব্যবহারকারীরা নরমাল Hard disk এর Web Hosting ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরী বা পরিচালনা করত।
তবে বর্তমানে নরমাল hosting এর ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে, কারন আমরা এখন অনেকেই SSD hosting ব্যবহার করি, আর এর কারন হল SSD hosting নরমাল hard disk থেকে অনেক ভালো সার্ভিস দিয়ে থাকে। SSD hosting এখন দ্রুত জায়গা দখল করছে , কারন আমরা সবাই আমাদের ওয়েবসাইটকে দ্রুতগতির করতে চাই, এতে site visitor রা সহজেই আমাদের site visit করতে পারে । আর নরমাল hosting থেকে SSD hosting ২০ গুন দ্রুততর হয়, এতে বুঝতেই পারেছেন নরমাল হোস্টিং থেকে SSD hosting এর গতি কতটা দ্রুততর । তবে বর্তমানে আপনি যদি বাইরের দেশের hosting কোম্পানী গুলো দেখেন, তারা নরমাল hard disk থেকে সরে এসে SSD hosting বা Cloud hosting বাজারজাত করছে। বর্তমানে আপনার সাইটকে দ্রুততর রাখার জন্য SSD hosting এর বিকল্প নাই।
এছাড়া যারা নতুন করে সাইট তৈরী করে বেশ কয়েক মাসের মধ্যে ভালো ভিজিটর এনে সাইটকে আস্তে আস্তে বড় করে, তখন তারা shared hosting ছেড়ে ভালো Cloud hosting , SSD VPS ও Dedicated server এ যেতে চায় কিন্ত অনেকেই পারে না। আর না পারার কারন হচ্ছে customer এর বাজেট কম থাকে, টেকনিক্যাল দিক দিয়ে দুর্বল থাকে আর কোনটা নিলে ভালো হবে ইত্যাদি সহ আরও বিভিন্ন বিষয়। সাইটে যদি ভিজিটর বেশি হয়, সাইট লোড নিতে সম্যসা হয়, ভিজিটর বেশি হলে সার্ভার ডাউন হয়ে যায়, এইসব সমস্যার সমাধানের জন্য Cloud Hosting ব্যবহার করা উচিৎ। এছাড়া ও নতুন Ecommerce, Affiliate site, AdSense blog এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তিগত Android app ও software ডেভেলপমেন্ট এর জন্য বর্তমানে Cloud Hosting অনেক জনপ্রিয়।
এখন আমি যে কথাগুলো বলব এগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে দেখুন বা পড়ুন।
আমরা ১০০ জনের ভিতর ৯৫ জন শেয়ার হোস্টিং নিয়ে শুরু করছি।
তাই সবার উদ্দেশ্যে একটা কথা।
শেয়ার হোস্টিং এর ভিতরে সব থেকে সিপ্যানেল হোস্টিং সব থেকে জনপ্রিয়.
এই সিপ্যানেল হোস্টিং এর সব থেকে তিনটা টেকনোলজি প্রযুক্তি বেশি ব্যবহার করা হয়।
Apach: Nginx থেকে একটু দুর্বল Apache , মোটামুটি ভালো তবে এটি ওপেনসোর্স এবং ফ্রি।
LiteSpeed: এটি ফ্রি নয় এটি পেইড। লাইটস্পীড টেকনোলজি এবং সার্ভারের জগতে এরাই রাজা ওয়েব সার্ভারের এক অসাধারণ বিপ্লব হচ্ছে লাইটস্পীড টেকনোলজি। এর কর্মক্ষমতা আপাচি’র চেয়ে অনেক বেশী। একটা অ্যাপাচি সার্ভারের তুলনায় লাইটী ৬গুণ বেশী শক্তিশালী। লাইটী আপনার পিএইচপি’র পারফরম্যান্স অ্যাপাচি থেকে ৫০গুণ বাড়িয়ে দেয় mod_php ‘র সাথে। অ্যাপাচি’তে যেসব ফিচার আছে তা লাইটস্পীডেও পাবেন যেমন .httaccess, mod_rewrite, mod_security, mod_frontpage.
লাইটস্পীড সার্ভার মূলত ডিজাইন করা হয়েছে সিকিউরিটি’র কথা মাথায় রেখে। লাইটীতে বিল্ড-ইন ডস বা ডিডস অ্যাটাকের জন্য সুরক্ষিত করা আছে। লাইটস্পীড চালিত সার্ভার স্ট্যাটিক ফাইল সার্ভ করার সময় ইউআরএলে যদি কোন ক্ষতিকর হিডেন কন্টেন্ট থাকে তাহলে সার্ভার তা ব্লক করে দেয়। যেকোন হ্যাকার মাত্রই জানে এইটা কিরকম সিকিউর সার্ভার। সার্ভারে ক্ষতিকর কন্টেন্ট যেমন শেল বাইপাস করা মোটামোটি দুস্কর। লাইটস্পীড vs অ্যাপাচিঃ অ্যাপাচি’তে কনফিগারেশন টেক্সট ফরম্যাটে থাকে কিন্তু লাইটস্পীডে এক্সএমএল ফরম্যাটে থাকে। অ্যাপাচি ম্যানুয়ালি আপডেট করতে হয় কিন্তু লাইটস্পীডে ম্যানুয়াল/অটো দুইই সাপোর্ট করে।
লাইটস্পীড সার্ভারে হাই পারফরমান্স প্রক্সি বিল্ড-ইন থাকে কিন্তু অ্যাপাচি’তে অ্যাড-অন ইন্সটল করে ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া সিকিউরিটি রিলেটেড অন্যান্য জিনিস যেমন স্ট্যাটিক লোড ব্যালেন্সার, এলডিএপি, অ্যান্টি-ডিডস, কানেকশন থ্রটলসহ অনেক কিছু লাইটস্পীডে বিল্ড-ইন থাকে। অ্যাপাচি’তে উক্ত জিনিসগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে থার্ড পার্টি ইন্সটল করা লাগবে। বিশেষ করে যারা সিকিউরিটি নিয়ে চিন্তিত তারা চোখ বন্ধ করে চলে আসতে পারেন লাইটস্পীড টেকনোলজি’র জগতে।
শেয়ার্ড হোস্টিং (shared hosting)
V P S (Virtual private server)
ডেডিকেটেড হোস্টিং (dedicated server)
ক্লাউড হোস্টিং (cloud hosting)
চলুন এই সব রকমের ওয়েব হোস্টিংয়ের প্রকার গুলির বেপারে জেনেনেই ডিটেল্সে।
শেয়ার্ড হোস্টিং কি ? What is shared hosting ?
শেয়ার হোস্টিং এর মানে হলো, ওয়েব হোস্টিং কে শেয়ার (share) করা। মানে, একটি web server অনেক গুলি ওয়েবসাইট শেয়ার করবেন। উদাহরণ স্বরূপে, ভেবেনিন একটি ঘর আছে এবং আপনারা অনেক বন্ধুরা সেই ঘর শেয়ার করে বা ভাব করে থাকছেন। এই ক্ষেত্রে, আপনার ঘর হলো web server এবং এবং আপনি আর আপনার বন্ধুরা যারা ঘর ভাগ করে থাকছেন তারা একটি একটি ওয়েবসাইট।
এতে, আপনার লাভ এটাই যে, আপনাদের ঘর ভাড়া সব বন্ধুরা মিলেই দিতে পারবেন। এতে আপনার অনেক কম টাকা দিতে হবে। Shared hosting এর ক্ষেত্রেও, আমরা একটি web server অনেক গুলি ওয়েবসাইট বা ব্লগের সাথে শেয়ার করি, এতে আমাদের এর জন্য অনেক অনেক কম টাকার প্রয়োজন হয়। শেয়ার্ড হোস্টিং আপনি অনেক কম টাকায় কিনেনিতে পারবেন। এবং, একটি নতুন ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য shared hosting লোকেরা বেবহার করেন।
Shared hosting এর কিছু লাভ
অনেক সস্তায় এবংকম দামেই কিনতে পারবেন।
একটি নতুন ওয়েবসাইটেরজন্য সেরা হোস্টিং।
শেয়ার্ড হোস্টিং এর দাম এর কথা বললে, আপনি Rs.৫০ থেকে Rs.২০০ (monthly) ভেতরে ভালো শেয়ার্ড হোস্টিং কিনতে পারবেন। এমনিতে অনেক shared hosting company রয়েছেন যারা ফ্রীতেই হোস্টিং দেন।
ভার্চুয়াল প্রাইভেট হোস্টিং কি ? (Virtual private server)
ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার shared hosting থেকে অনেক হাজার গুনেই ভালো। তবে হে, VPS সার্ভার আমরা তখন নেই যখন আমাদের ওয়েবসাইটে ভিসিটর্স বা ট্রাফিক অনেক আসেন এবং যখন আমাদের ওয়েবসাইট অনেক popular হয়ে যায়। প্রথম অবস্থায়, vps হোস্টিং নেয়ার প্রয়োজন আমি মনে করিনা।
তাহলে এই ভি পি এস (vps) হোস্টিং বললে আমরা কি বুঝি। যেমন, একটি বিল্ডিং (building) এ অনেকগুলি রুম (room) বানানো থাকে ঠিক সেভাবেই এই প্রকারের হোস্টিং এ একটি ওয়েব সার্ভার অনেক গুলি ভাগে ভাগ করা হয়। এবং, যেভাবে আপনি কিনে নেয়া রুমে কেবল আপনার অধিকার থাকে ঠিক সেভাবেই vps server এ আপনি কিনে নেয়া ভাগে কেবল আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগের অধিকার থাকবে। আপনি, যেই ভাগটা কিনবেন সেটা কেবল আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এবং অন্যকেও সেই ভাগ ব্যবহার করতে পারবেনা। এইটা আপনার private web server এর মতোই। এবং, এটাই কারণ যে vps server বা vps hosting অনেক দ্রুত (fast) এবং এ বেশি ট্রাফিক বা ভিসিটর থাকা ওয়েবসাইটের জন্য লাভদায়ক।
ভি পি এস হোস্টিং এর কিছু লাভ
Security র হিসাবে দেখতে গেলে vps server অনেক নিরাপদ (secure).
অনেক দ্রুত এবং এর কর্মক্ষমতা অনেক উচুস্থরের।
Share hosting থেকে অনেক গুন্ বেশি ট্রাফিক বা ভিসিটর এ হাতল (handle) করতে পারে।
আজকাল ভি পি এস (vps) হোস্টিং প্রায় Rs.১০০০ থেকে Rs.১৫০০ (monthly) ভেতরে আপনি পেয়েযাবেন।
ডেডিকেটেড হোস্টিং কি ? (Dedicated web hosting)
ডেডিকেটেড হোস্টিং অন্য হোস্টিং থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ, শেয়ার্ড হোস্টিং এ আপনাকে একটি ওয়েব সার্ভার অসংখ ওয়েবসাইটের সাথে শেয়ার করতে হয় এবং vps hosting এ আপনাকে ওয়েব সার্ভার এর একটি ভাগ দিয়ে দেয়া হয় যেটা কেবল আপনার।
কিন্তু, ডেডিকেটেড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে একটি পুরো ওয়েব সার্ভার দিয়ে দেয়া হয় যেটা কেবল আপনার। এবং, সেই ওয়েব সার্ভারে কেবল আপনার ওয়েবসাইট এবং তার ফাইল হোস্ট করা থাকবে। ঠিক তেমনি, যখন আপনি একটি room নয় পুরো বিল্ডিং (building) টাই কিনে নিলেন এবং তার পর তাতে কেবল আপনার থাকার অধিকার থাকলো।
ডেডিকেটেড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে, কেবল একটি ওয়েবসাইট একটি সার্ভারে হোস্ট থাকার কারণে সেই ওয়েবসাইট অনেক বেশি ফাস্ট এবং দ্রুত কাজ করবে এবং নিরাপত্তার (security) দিকদিয়ে দেখলে এ অনেক নিরাপদ (secure).
কিন্তু, মনে রাখবেন, এই হোস্টিং তখন প্রয়োজন হবে যখন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট অনেক বেশি ট্রাফিক আসবে। এবং, ডেডিকেটেড সার্ভারের দাম অনেক অনেক বেশি।
ডেডিকেটেড হোস্টিং এর কিছু লাভ
অনেক বেশি ট্রাফিক বা ভিসিটর্স handle করতে পারে।
এই রকমের হোস্টিং অনেক নিরাপদ (secure) .
কর্মক্ষমতা অন্যদের থেকে অনেক গুনে বেশি।
ওয়েবসাইট বা ব্লগ অনেক দ্রুত কাজ করবে।
Dedicated server আপনি মিনিমাম Rs.৬০০০ (monthly) থেকে কিনতে পাবেন। কিছু ক্ষেত্রে আরো অনেক বেশি।
ক্লাউড হোস্টিং কি ? (Cloud hosting)
ক্লাউড হোস্টিং আজ ব্লগার এবং ওয়েবসাইট মালিকদের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রচলিত এবং ভরসার হোস্টিং সার্ভিস হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এর কর্মক্ষমতা এবং স্পিড অনেক উন্নত মানের এবং এই হোস্টিং অনেক নিরাপদ। যাওয়া কিছু বছরে, cloud hosting অনেক জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং, আমি নিজেই আমার ব্লগের জন্য ক্লাউড হোস্টিং বেবহার করছি।
আসলে ক্লাউড হোস্টিং এ অনেক গুলি ওয়েব সার্ভার একসাথেই রাখা হয় এবং তাই আপনি আপনার প্রয়োজন হিসেবে সার্ভারের কিছু প্রয়োজনীয়তা যেমন cpu, RAM বা storage বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারবেন। এতে, যখনি আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিসিটর বাড়বে আপনি অনেক সহজে সেই হিসেবে নিজের ওয়েব সার্ভারের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
এবং, সময়ে আপনি কর্মক্ষমতা কমিয়েও নিতে পারবেন। ক্লাউড হোস্টিং এ ওয়েবসাইট ডাউন হওয়ার সুযোগ অনেক কম এবং বেশি ট্রাফিক এ হ্যান্ডেল করতে পারে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও আপনি ক্লাউড ওয়েব সার্ভারকে ভরসা করতে পারবেন।
উড হোস্টিং এর কিছু লাভ
সার্ভার ডাউন (server down) হওয়ার সুযোগ অনেক কম।
কর্মক্ষমতা অনেক উন্নত এবং বেশি। এবং, নিজের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে বাড়ানো বা কমানো যাবে।
ওয়েবসাইটের বেশি ট্রাফিক বাভিসিটর হ্যান্ডেল (handle) করতে পারে।
ক্লাউড হোস্টিং এর দাম তার কর্মক্ষমতা হিসেবে তেমন কোনো বেশি নয়। Rs.৪০০ (monthly) থেকে Rs.১০০০ (monthly) এর ভেতরে ক্লাউড হোস্টিং পেয়েযাবেন। এখানে দাম আপনার প্রয়োজনীয়তা (cpu, ram এবং storage) এর ওপরে নির্ভর করে।
হোস্টিং ব্যান্ডওয়াইডথঃ ব্যান্ডওয়াইডথ হচ্ছে সার্ভার থেকে ইউজারের (ইউজার হচ্ছে ঐ ব্যাক্তি যে আপনার সাইটটি ব্রাউজ করে) কম্পিউটারে মাসে কতটুকু ডেটা transfer হবে।যদি আপনার সাইট অনেক বিখ্যাত হয় এবং প্রতিদিন হাজার হাজার বার ভিজিট হয় তাহলে আপনার অনেক ব্যান্ডওয়াইথ লাগবে।অনেকে অল্প ব্যান্ডোয়াইথ নেয় হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে ফলে মাসের মাঝখানে সাইট damage হয়ে যায়।মনে হয় সে ধারনাই করতে পারেনাই যে তার সাইট টি এত লোক ভিজিট করবে।হোস্টিং প্রোভাইডাররা তাদের প্যাকেজগুলোতে প্রতিটি প্যাকেজের জন্য আলাদা আলাদা ব্যান্ডোয়াইথ নির্দিষ্ট করে দেয় যেমন 5GB, 8GB ইত্যাদি।আপনার কোনটি দরকার তা হিসেব করে দেখবেন নিচে একটা হিসেব করার নিয়ম দেয়া হল-
পেজের গড় সাইজ * আনুমানিক মাসে কতবার পেজ ভিজিট হবে
যদি পেজের সাইজ গড়ে 30KB হয় আর আপনার অনুমান মাসে 50,000 বার পেজ দেখা হবে তাহলে আপনার মাসে ব্যান্ডওয়াইথ দরকার হবে 0.03MB*50000=1.5GB
বড় বড় কমার্শিয়াল সাইটগুলির মাসে 1000GB এর চেয়েও বেশি ব্যান্ডওয়াইথ খরচ হয়।
নোটঃ সাইটকে দ্রুততর করার জন্য শেয়ারড হোস্টিং এর উপর নির্ভর না করাই ভালো। কেননা এগুলো দেখতে বেশ আকর্ষণীয় (আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ এবং স্টোরেজ) মনে হলে ও যখন ট্রাফিক বেশি হয় তখন আর কাজ করে না, এমন কি অফলাইনে ও চলে যায়। তাই নির্ভরযোগ্য দেখে একটা প্ল্যান ক্রয় করুন। ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য ভিপিএস সার্ভার হোস্টিং বা ম্যানেজড ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টি ইত্যাদি ট্রাই করতে পারেন।
ডট বিডি (.bd) বাংলাদেশের জন্য ইন্টারনেট প্রদত্ত রাষ্ট্রীয় সংকেত এবং ডোমেইন সাফিক্স। বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বোর্ড (বাংলাদেশ টেলিফোন এন্ড টেলিগ্রাফ বোর্ড) “.bd”-র নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে। বিটিসিএল (বাংলাদেশ টেলিকমিনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড) সরাসরি “.bd”-র অধীন কোন ডোমেইন নিবন্ধন করে না, ডোমেইন নামকে অবশ্যই কোন একটি সাবডোমইন হতে হবে।
ডট বিডি এবং ডট বাংলা হ’ল ইন্টারনেটে একটি কান্ট্রি কোড শীর্ষ স্তরের ডোমেন (সিসিটিএলডি)। এটি ইন্টারনেট বিশ্বে বাংলাদেশের ঠিকানা। বিটিসিএল হ’ল এমওপিটিটিটির পক্ষে সিসিটিএলডি উভয়ের রেজিস্ট্রেশন অথরিটি। বিশ্ব জুড়ে যে কোনও ব্যক্তি, সংস্থা একটি .bd ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারে । ডট বিডি (.bd) ডোমেইন হচ্ছে ccTLD অর্থাৎ Country Code Top Level Domain যা সাধারনত বিটিসিএল (বাংলাদেশ টেলিকমিনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড) ডোমেইন বিক্রি এবং নিয়ন্ত্রন করে থাকে। আর .com.bd (সাধারন কাজ বা ব্যবসার জন্য) এক্সটেনশন হচ্ছে এই ডোমেইন তালিকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় । এছাড়া .gov.bd (গভর্নমেন্টাল-রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এর জন্য) .net.bd (নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য ) .info.bd (ইনফরমেশন সাইটের জন্য ) .org.bd(অরগানাইজেশনের এর জন্য) .edu.bd (এডুকেশনাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর জন্য) .ac.bd (বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এর জন্য) এক্সটেনশন সহ আরও বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন এক্সটেনশন রয়েছে ।
এটি সঠিকভাবে করার জন্য আপনি BizTech এ বিশ্বাস করতে পারেন, কারণ BizTech দীর্ঘদিন যাবৎ ডট বিডি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে আসছে | সঠিক ভাবে ডট বিডি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর জন্য আপনাকে গাইড করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ । আপনার ব্যাবসা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ,সংস্থা এর জন্য নামটি পেয়ে গেলে সহজেই ডোমেইন এর জন্য অর্ডার করতে পারবেন |
এছাড়াও আপনি যে কোনও শেয়ার্ড ওয়েব হোস্টিং প্যাকেজ, রিসেলার হোস্টিং প্যাকেজস, ডেডিকেটেড হোস্টিং, এসএসএল এবং আরও অনেক কিছু যা কোনও ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য প্রয়োজন তা কিনতে পারবেন
ডোমেইন হচ্ছে কোন একটা ওয়েবসাইটের নাম। যেমন www.google.com এখানে www হচ্ছে World Wide Web এর পুর্নরূপ এবং ডোমেইন হচ্ছে google.com .
আসুন আর একটু সহজ ভাবে বুঝে নেই। মনে করুন আপনি একটি ব্যবসা নতুন করে শুরু করতে চাচ্ছেন। আপনি তাহলে সর্বপ্রথম যে কাজটি করবেন সেটি হচ্ছে এই ব্যবসার জন্য একটি সঠিক এবং সুন্দর নাম নির্বাচন করা। এবং নাম নির্বাচন করা হয়ে গেলে এবার আপনি চাইবেন নামটা যেন আর কেউই ব্যবহার করতে না পারে এবং এজন্য আপনি এই নামে ব্যবসাটিকে ট্রেড লাইসেন্স করে নিলেন। তাহলে এখন এই নামটি আপনি আপনার ব্যবসার জন্য সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
এবার এই পুরো বিষয়টিকেই অনলাইনে নিয়ে আসুন। আপনার বিজনেসটি যখন অনলাইনে হবে তখন আপনি একটি নামে ব্যবসাটিকে সকলের কাছে পরিচিত করতে চাইবেন, আর ঐ নামটিই হচ্ছে ডোমেইন (Domain)।
প্রথম বানিজ্যেক ডোমেইন
প্রথম বানিজ্যিক ডোমেন নাম Symbolics.com, ১৫ মার্চ ১৯৮৫ সালে প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে ডট কম ডোমেন নাম ক্যাম্ব্রিজের কম্পিউটার ফার্ম সিম্বোলিক্স তাদের ওয়েব সাইট Symbolics.com এ ব্যবহার করে।
ডোমেইন এর গঠন
দৈর্ঘ্য
ডোমেন নাম দৈর্ঘ্য ৬৩ অক্ষরের মধ্যে হতে হবে।
অনুমোদিত অক্ষর
বর্ণানুক্রমিক অক্ষর, a থেকে z, ছোট হাতের অক্ষর
সংখ্যাসূচক অক্ষর 0 থেকে 9 এর মধ্যে
ড্যাশ (-) ব্যবহার করা যাবে কিন্তু ডোমেন নাম অবশ্যই একটি আলফানিউমেরিক অক্ষর দিয়ে শুরু এবং শেষ হবে। প্রথম এবং শেষ অবস্থানে ড্যাশ অনুমোদিত নয়।
সাধারণত ডোমেইনের একের অধিক অংশ থাকে। একটিতে নাম অন্যটি এক্সটেনশন। যেমন www.mdfarukkhan.com এখানে www হোষ্ট এর নাম, mdfarukkhan হল ডোমেইন নাম এবং .com হল ডোমেইন এক্সটেনশন। ওয়েবসাইটের ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের এক্সটেনশ হয়ে থাকে। যেমনঃ
.com সাধারণত কোম্পানি ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।
.net এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়।
.org কোন অর্গানাইজেশন/সংগঠন এর ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।
.info ব্যক্তিগত অথবা তথ্যভিক্তিক ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত।
.me সাধারণত পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।
ধরনের দিক থেকে বিবেচনা করলে ডোমেইন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন TLD, gTLD, SLD, ccTLD ইত্যাদি
TLD
Top Level Domain, ইন্টারনেট ডোমেন নামকরণ সিস্টেমের সর্বোচ্চ স্তরের ডোমেন বিভাগ। এ ধরনের ডোমেইন গুলোই সচারচর আমরা বেশি দেখে থাকি। Top Level Domain বোঝার উপায় হলো এর এক্সট্রেইনশন গুলো .com, .net, .org, .me, .info হয়ে থাকে।
SLD
Second Level Domain, ডোমেন নামের একটি অংশ যা ডট(.) এর আগে আসে। যেমন: mdfarukkhan.com, এখানে SLD হচ্ছে mdfarukkhan
gTLD
Generic TOP Level Domains, একটি টপ লেভের ডোমেন এর শ্রেণী কিন্তু যেটি কোন দেশের সাথে যুক্ত নয়, যেমন: .com, .net, .org ইত্যাদি।
ccTLD
Country Code Top Level Domain, প্রতিটি দেশের ২টি অক্ষর ডেমেন এর শেষ অংশে যুক্ত হয়ে যে ডোমেইন নামটি গঠন করে তাকেই ccTLD বলে। যেমন বাংলাদেশের .bd পাকিস্তানের .pk আমেরিকার .us ইউনাইটেড কিংডমের .uk ইন্ডিয়ার .in
কিভাবে একটি সঠিক ডোমেইন নাম নির্বাচন করবেন
১. .com এক্সটেইনশনের ডোমেইনকে প্রধান্য দিন
ডোমেইন রেজি: এর জন্য বিভিন্ন ধরনের এক্সটেইনশন আছে। শুরুর দিকে মানুষ .com, .net, .org ডোমেইন নেমের সাথে পরিচিত ছিলো। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন এক্সটেইনশন এসেছে। এখন তো চাইলে নীশ স্পেসিফাই করেও এক্সটেইনশন নেয়া যায়। যেমন .pizza , .photographt, .travel .ninja ইত্যাদি।
তবে একজন অনলাইন মার্কেটার হিসেবে আমি সবসময় সাজেস্ট করি .com ডোমেইন এক্সটেইনশন ব্যবহার করার জন্য। কারন .com এখন পর্যন্ত সবথেকে বহুল ব্যবহৃত ডোমেইন এক্সটেইনশন।
এছাড়াও এটা মনে রাখাও সহজ। ধরা যাক একজন মানুষ টোকনোলজি সম্পর্কে খুব বেশি জ্ঞান রাখে না। তার কাছে যদি আপনি বলেন .ninja সে হয়তো কিছুই বুঝতে পারবে না। কিন্তু এই মানুষটাকেই যদি বলেন .com তাহলে সে ঠিক বুঝে নেবে এটা একটা ওয়েবসাইটের নাম।
হয়তো ইদানিং আপনারা খেয়াল করে থাকবেন স্মার্টফোনের কীপ্যাডে .com নামে ডিফল্ট কী সেট করা থাকে। অর্থাৎ .com একটি গ্রহনযোগ্য ডোমেইন এক্সটেইনশন।
২. সহজে টাইপ করা যায় এবং সহজ নাম পছন্দ করুন
সবসময় এমন একটি ডোমেইন নেম খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন যেটি টাইপ করা সহজ এবং উচ্চারণযোগ্য।
blogger.com
facebook.com
wikihow.com
উপরের ডোমেইন নাম গুলোতে খেয়াল করুন। সাইটগুলো খুব সহজেই টাইপ করা যায় এবং প্রত্যেকটা সাইট ই সহজবোধ্য। তাই ডোমেইন নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময় অপ্রয়োজনীয় শব্দ এড়িয়ে চলুন। এমন কোন নাম পছন্দ করুন যেটা মানে খুব সহজেই বোঝা যায় এবং মনে রাখাও সহজ।
৩. সহজ এবং ছোট নাম নির্বাচন করুন
ডোমেইন যতোটা সম্ভব ছোট রাখার চেষ্টা করুন। আপনার ডোমেনের নাম জটিল এবং লিখতে সমস্যা হয় এ ধরনের শব্দ পরিহার করা উচিত। এক্ষেত্রে ভিজিটরের ভুল টাইপ বা বানান ভুল করার সম্ভবনা থাকে। তাই ছোট ও সহজে মনে রাখা যায় এমন ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন। যদিও ছোটো ডোমেইন নেম খুঁজে পাওয়া মোটেই সহজ কাজ না তবে ভাল ফলাফলের জন্য ডোমেইন নেম সংক্ষিপ্ত রাখা জরুরী।
ব্যাক্তিগত ভাবে আমি সর্বোচ্চ ৮-১০ অক্ষর ডোমেইন নাম রাখতে পরামর্শ দিব।
ওয়বেসাইট তৈরির আগে আমরা সবাই কীওয়ার্ড রিসার্চ করি। এক্ষেত্রে অনেক সময় আমরা মেইন কীওয়ার্ড টি ডোমেইন এর মধ্যে রাখি, যেটিকে বলা হয় EMD (Exact Match Domain). কিন্তু বর্তমানে Google EMD কে অতটা গুরুত্ব দেয়না আগের মত। এমনটি আপনার সাইটের কন্টেন্ট লো কোয়ালিটির হলে আপনাকে Google প্যানাল্টিও দিতে পারে।
যেমন ধরুন এখন আপনি একটি ই-কমার্স সাইট করতে যাচ্ছেন। আপনার ব্যবসা শুরু করতে চান এবং আপনার পণ্য Organic Fruits হয়। আপনার ডোমেন নিলেন কীওয়ার্ড রিলেটেড।
যেমনঃ organicfruits.com, organicfruitsStore.com
তবে এখানে কিছু দ্বিমতও আছে। কারন আমরা এখনও দেখি কিছু কিছু ক্ষেত্রে EMD কে প্রাধান্য দেয়া হয়, যদি আপনার কন্টেন্ট উন্নত মানের হয়।
৫. অবাঞ্চিত ক্যারেক্টার, হাইপেন ব্যবহার না করা
ডোমেইন নামের মধ্যে কোনো অবাঞ্চিত ক্যারেক্টার কিংবা সিম্বল ব্যবহার করা উচিত নয়। যাতে করে ডোমেইন নেম টাইপ করার সময় ভিজিটরের কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
উদাহরন স্বরুপ বলা যায় প্রথম আলোর কথা। আপনি একজন কে যদি বলেন প্রথম আলোর ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য। যে কিনা প্রথম আলো সম্পর্কে কোনো ধারনা রাখে না সে সরাসরি prothomalo.com ভিজিট করবে এতে সে একটি ভুল এবং আন অথরাইজ ওয়েবসাইটে চলে যাবে । কারন আপনি তাকে বলেননি প্রথম আলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট টি prothomalo.com নয় prothom-alo.com। তাই ডোমেইনে অপ্রয়োজনীয় ক্যারেক্টার হাইপেন কিংবা সংখ্যা ব্যবহার না করাই ভালো।
৬. ডোমেইন নিয়ে বিস্তারিত জেনে নিন
ডোমেইন নাম রেজি: করার আগেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার নির্বাচিত নামটি ট্রেডমার্ক, কপিরাইটযুক্ত বা অন্য কোম্পানী দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে না। কারন তা না হলে আপনাকে বড় ধরনের আইনি জটিলতার সম্মুখ্যীন হতে পারে।
যেমন আপনি আপনার ডোমেইন নেমে Google, Facebook এই ধরনের ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন না। কারন এগুলো ট্রেডমার্ক ওয়েবসাইট এবং এদের নাম কপিরাইট করা। তাই ডোমেইন নেম রেজি: করার আগেই আগেই এই ব্যাপার গুলো চেক করে নিন।
৭. নিজস্ব ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করুন
আপনার ব্র্যান্ড কে সুরক্ষিত করার জন্য আপনার ডোমেইন নেমের বাকি এক্সটেনশানগুলি আগে থেকেই কিনে রাখতে পারেন। আপনি নিশ্চই দেখতে চাইবনে না আপনার .Com ডোমেইনের কম্পিটিটর হিসেবে আপনার একই নামের .net এক্সটেইনশনের একটি ডোমেইন আপনার কম্পিটিটর হিসেবে দাড়িয়ে গেছে। এক্ষেত্রে অন্তত TLD – Top Level Domain গুলো কিনে রাখতে পারেন। এটি অন্যান্যদের থেকে আপনাকে এগিয়ে রাখতে সহায়তা করবে।
৮. দ্রুত ডোমেইন কিনে ফেলা
ডোমেইন নাম খুব দ্রুত বিক্রি হয়। আর আমরা এই ভুল টাই বেশিরভাগ সময় করে থাকি। জেনে রাখবেন সময়, একটি ভালো ডোমেইন নাম আপনার জন্য অপক্ষা করবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব আপনার প্রিয় ডোমেইন নামটি রেজি: করে ফেলুন।
এ সাইট গুলো আপনাকে সঠিক ডোমেইন নেমটি খুঁজে পেতে সহায়তা করবে।
https://www.dynadot.com
https://www.namesilo.com
কিভাবে ডোমেইন-হোস্টিং কিনবেন?
ক্রেডিট কার্ড, মাস্টার কার্ড, কিংবা পেইওনিয়ার কার্ড দিয়ে আপনি বাসায় বসেই ইন্টারন্যাশনাল সাইট গুলো থেকে ডোমেইন রেজি: করে নিতে পারেন। তবে উপরের কোনোটাই আপনার না থাকলে বাংলাদেশি কোনো সার্ভিস প্রভাইডারের নিকট থেকে ডোমেইন কিনতে পারেন। এখন বাংলাদেশেও বেশ কিছু কোম্পানী ডোমেইন এবং হোস্টিং এর ভালো মানের সার্ভিস দিচ্ছে।
আপনার যদি এসকল অনলাইন ব্যবস্থ্যা না থাকে তাহলে খুব সহজেই বিকাশ, রকেট বা ডিবিবিএল ব্যবহার করে একই মানের ডোমেন এবং হোষ্টিং কিনতে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি। এবং এটি আপনার জন্য একটি বেষ্ট অফার হবে, সেটি নিঃসন্দেহে বলতে পারি। ডোমেইন-হোস্টিং অফার
আশাকরি ডোমেইন নাম সিলেক্ট করার ব্যাপারে উপরোক্ত পরামর্শগুলো আপনাকে সাহায্য করবে। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে দয়াকরে সবার সাথে শেয়ার করুন।
আপনারা আর কি ধরনের আর্টিকেল চান তা কমেন্ট বক্সে জানাকে পারেন। আমি চেষ্টা করবো ভবিষ্যতে আপনাদের চাহিদা মত টপিকে আর্টিকেল লিখে আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য।
ডোমেইন কি? ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ শুরু করতে আগ্রহী এমন প্রত্যেকেরই জন্য প্রশ্নটি স্বাভাবিক। যদিও ডোমেইনের সাথে ওয়েব হোস্টিং বিষয়টি ওতোপ্রতভাবে জড়িত। তবে ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার সুবিধার্থে আজকের পোস্টের মূল টপিক শুধু ডোমেইনকেই রাখা হয়েছে।
ডোমেইন কি?
ডোমেইন কি?
প্রথমেই ডোমেইনের শাব্দিক অর্থ নিয়ে বলা যাক। ক্যামব্রিজ ডিকশনারি অনুযায়ী ডোমেইন (Domain) মানে, “an area of interest or an area over which a person has control“। অর্থাৎ ডোমেইন একটি সুনির্দিষ্ট এলাকা হিসেবে বুঝায় যা মূলত একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ডোমেইনের এরকম শাব্দিক অর্থ দিয়ে ডোমেইনকে বুঝানো কঠিন।
তাই এবার আসা যাক ডোমেইনের সহজ সরল অর্থে। আমরা জানি, ইন্টারনেট বা ওয়েব জগতটা বিশাল। এতোটাই বিশাল যে, সর্বশেষ ২০১৪ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ওয়েব জগতের মোট ওয়েবসাইটের সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে। ওয়েব জগতকে যদি আমাদের বাস্তব জীবনের পৃথিবীটার সাথেই মিলিয়ে উদাহরণ দেই। সেক্ষেত্রে, ওয়েবসাইটগুলোকে বলা যাবে এক একেকটি দেশ। অর্থাৎ সব ওয়েবসাইটগুলো মিলেই গঠিত ওয়েবের জগতটা। আর এই সব ওয়েবসাইটগুলোকেই আমরা ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সহজেই দেখতে পারি। মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, এতো এতো ওয়েবসাইট কিভাবে এক মুহূর্তেই আমাদের কম্পিউটারের পর্দায় আমরা দেখতে পাই? খুব সহজে বলতে, প্রতিটি ওয়েবসাইটেরই নিজের একটি করে স্বতন্ত্র পরিচয় বা ঠিকানা আছে। আপনি যখন যে ওয়েবসাইটকে দেখতে চান। ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ওয়েব ব্রাউজার সেই ঠিকানাটিতে চলে যায় এবং আপনার পর্দায় সেটি প্রদর্শন করে। আর এই ঠিকানাটিকেই সহজ কথায় ডোমেইন বলা হয়। যেমনঃ www.nijeshikhi.com একটি ডোমেইন। এই ডোমেইন ভিজিট করলে আপনি আমাদের ওয়েবসাইটটি দেখতে পান।
ডোমেইন কি?
আমরা ডোমেইন নামগুলোর গঠন সাধারনত ইংরেজিতে দেখে থাকলেও। এর পেছনে আছে অন্য কাহিনী! যেমনটি ইতিমধ্যে বলেছি, ১০০ কোটি ওয়েবসাইটের মাঝে কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটি খুঁজে পাওয়ার জন্য প্রতিটি ওয়েবসাইটেরই আছে একটি করে ঠিকানা। সেই ঠিকানাগুলো মূলত 118.179.88.10 এরকম হয়ে থাকে। এগুলোকে আইপি অ্যাড্রেস বলা হয়ে থাকে। তাহলে একটিবার ভাবুন তো, কোটি কোটি ওয়েবসাইটের এরকম আইপি অ্যাড্রেস মনে রাখা সম্ভব কিনা? অবশ্যই অসম্ভব! আর তাই সেটিকে সম্ভব করতে আইপি অ্যাড্রেসগুলোকে মনে রাখার বদলে উদ্ভাবন হল ইংরেজি অক্ষরে মনে রাখার ব্যবস্থা। আর সেটিকে বলা হল ডোমেইন। অর্থাৎ, ওয়েবসাইটের ঠিকানাই হল ডোমেইন। এবার নিশ্চই ডোমেইনের অর্থ পানির মত পরিষ্কার!
ডোমেইন কিভাবে কাজ করে?
ডোমেইন কি এবং ডোমেইন কিভাবে কাজ করে?
ওয়েব ব্রাউজারে www.nijeshikhi.com লিখে সার্চ দিলেন। আর তৎক্ষণাৎ আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনে চলে এলো রুপায়ন ওয়েবসাইটটি। কত দ্রুত আর কত সহজ তাই না? হ্যাঁ, আমাদের চোখে এই কাজটি পানির মত সহজ আর দ্রুত গতির মনে হলেও। এর পেছনে ঘটে অনেক প্রসেসিং। আর সেটাও হয়ে থাকে সেকেন্ডেই! ডোমেইন নিয়ে যখন এভাবে গভীরভাবে চিন্তা করবেন। তখনই কৌতুহলী মন জানতে চাইবে, ডোমেইন কিভাবে কাজ করে?
ডোমেইন কাজ করে একটি নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের মধ্য দিয়ে। যাকে বলা হয় DNS বা ডোমেইন নেম সিস্টেম। মোবাইলে যেমন থাকে ফোনবুক। তেমনি ওয়েব জগতের ফোনবুক হল এই ডিএনএস। অর্থাৎ, কোটি কোটি ওয়েবসাইটের মধ্য থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটি খুঁজে বের করে দেখানোর কাজটিই করে ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)। কিন্ত প্রশ্ন হল, সেই সিস্টেমটা কেমন কিংবা সেই প্রসেসের ধাপগুলো কি কি?
আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি, ওয়েবসাইটের ঠিকানা আমরা ইংরেজিতে বুঝে থাকলেও আমাদের কম্পিউটার/মোবাইল বা মেশিন কিন্ত সেটা বুঝেনা! মেশিন বুঝে শুধুই সংখ্যা! তাই, যখন আমরা ব্রাউজারে কোন একটি ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস বা ডোমেইন টাইপ করে ভিজিট করি। ডোমেইন নেম সিস্টেমের প্রথম কাজ হল সেটাকে অনুবাদ করা। আমাদের কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন নেমটি আসলে কোন আইপি অ্যাড্রেস ধারন করছে তা মুহূর্তেই কনভার্ট করে ফেলে ব্রাউজার। এরপর ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে সেই আইপি অ্যাড্রেসের ওয়েবসাইটটিকে রিকোয়েস্ট করে পর্দায় প্রদর্শিত হওয়ার জন্য। কিন্ত সেই ওয়েবসাইটকে অনুরোধ করারও একটি ধাপ আছে। ব্রাউজার যখন কোন কাঙ্ক্ষিত আইপি অ্যাড্রেসকে খুঁজে বের করার রিকোয়েস্ট করে তখন সে প্রথমেই খুঁজে বের করে ঐ আইপি অ্যাড্রেসটি কোন হোস্টিং কোম্পানির নেম সার্ভারের আওতায় আছে। তারপর সেই সার্ভার থেকে ঐ আইপি অ্যাড্রেসের সাইটটি বের করে দেখানো হয় ব্রাউজারে। আর এত জটিল কাজটি চোখের পলকে করে থাকে ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)।
ডোমেইনের গঠন এবং এক্সটেনশন
ডোমেইন কি? ডোমেইনের এক্সটেনশন গুলো কি কি?
একটি ডোমেইনের সাধারনত দুটি অংশ থাকে। প্রথমত, ডোমেইন নেম। দ্বিতীয়ত, ডোমেইন সাফিক্স। ডোমেইন সাফিক্স (Suffix) গুলো ডোমেইন এক্সটেনশন (Extension) হিসেবেও পরিচিত। যেমনঃ nijeshikhi.com একটি ডোমেইন। এই ডোমেইনের nijeshikhi শব্দটি হল ডোমেইন নেম। আর .com অংশটিই হল ডোমেইন সাফিক্স বা এক্সটেনশন।
যদিও ডোমেইনের আরও কিছু অংশ আছে। যেমনঃ https://www.nijeshikhi.com হল ডোমেইন। এখানে https:// অংশটুকুকে প্রটোকল বলে। www. অংশটুকু হল হোস্টনেম। আর nijeshikhi হল ডোমেইনের নাম এবং .com হল ডোমেইনটির এক্সটেনশন।
একটি ডোমেইনের এক্সটেনশন অনেকরকম হতে পারে। ওয়েবসাইটের ধরন অনুযায়ী এক্সটেনশন পছন্দ করা হয়ে থাকে সাধারনত। তেমন কিছু জনপ্রিয় ডোমেইন এক্সটেনশন উল্লেখ করা হল।
.com হচ্ছে ওয়েব জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল প্রচলিত ডোমেইন এক্সটেনশন। মূলত কোম্পানি ওয়েবসাইটের জন্য এই এক্সটেনশন। যদিও যেকোন সাধারন ওয়েবসাইটের জন্য মানুষের প্রথম পছন্দ এই .com ডোমেইন এক্সটেনশন।
.net আরেকটি জনপ্রিয় টপ লেভেল ডোমেইন এক্সটেনশন। মূলত, নেটওয়ার্কিং টেকনোলজি নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানের জন্য .net এক্সটেনশন বেশি গ্রহনযোগ্য। যেমনঃ ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানকারী কোম্পানির ওয়েবসাইটের জন্য .net ডোমেইন এক্সটেনশন সামঞ্জস্যপূর্ণ।
.org ডোমেইন মূলত সংগঠন বা অর্গানাইজেশন ওয়েবসাইটের জন্য বেশি পরিচিত।
.info সাধারনত তথ্য ভিত্তিক ওয়েবসাইটের ডোমেইন এক্সটেনশন নির্দেশ করে।
.me এক্সটেনশনটি প্রফেশনালদের ব্যক্তিগত বা পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়।
এছাড়াও অনলাইনে আছে আরও অনেক ডোমেইন এক্সটেনশন। যেগুলো আপনি নিতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটের ধরন অনুযায়ী। যেমনঃ .online, .guru, .shop, .xyz ইত্যাদি।
ডোমেইনের ধরন
ডোমেইনের ধরন
ডোমেইনের গঠন এবং এক্সটেনশন ছাড়াও ডোমেইনের ধরন সম্পর্কেও জেনে রাখা উচিৎ। ধরনের দিক থেকে ডোমেইন বেশ কিছু নামে পরিচিত। যেমনঃ
TLD হল Top Level Domain। ওয়েব জগতের সকল ডোমেইনের মাঝে এই TLD ডোমেইনগুলোকে সবচেয়ে উঁচু স্তরের ডোমেইন হিসেবে ধরা হয়। .com, .net, .info, .org, .me, .gov .mil এই ডোমেইনগুলো TLD ডোমেইন হিসেবে বিবেচিত।
gTLD ডোমেইন বলতে সকল গ্লোবাল ডোমেইনগুলোকেই বুঝায়। .com.bd ডোমেইন যেমন বাংলাদেশী ডোমেইন নির্দেশ করে। অর্থাৎ এরকম ডোমেইন বাদে সকল ডোমেইনই হল gTLD। gTLD কোন নির্দিষ্ট দেশের ডোমেইনকে বুঝায় না।
ccTLD ডোমেইন এক ধরনের TLD। যার মানে হল Country Code Top Level Domain। মূলত কোন নির্দিষ্ট দেশের হয়ে থাকে। অর্থাৎ এই ডোমেইনগুলোও টপ লেভেল ডোমেইন হিসেবে পরিচিত হলেও এগুলো শুধু দেশ ভিত্তিক। যেমনঃ
.com.bd ডোমেইনটিতে .bd এক্সটেনশনটি যোগ হয়ে তা বাংলাদেশী ডোমেইনকে বুঝাচ্ছে। তেমনিভাবে .pk পাকিস্তানের, .in ইন্ডিয়ার, .us আমেরিকার।
SLD ডোমেইন সাধারনত ডোমেইনের নামটিকেই বুঝায়। যেমনঃ nijeshikhi.com ডোমেইনটির এক্সটেনশনের পূর্বে rupayon নামটিকে SLD ডোমেইন বলা হয়। SLD মূলত ওয়েবসাইট/প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড নামকে নির্দেশ করে।
ডোমেইন নির্বাচনে যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন
ডোমেইন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা তো নেয়া হল। এবার ডোমেইন কেনার পালা! কিন্ত আপনি ডোমেইন হোস্টিং বিষয়ে যদি নতুন হয়ে থাকেন। তবে চটজলদি ডোমেইন কিনে ফেলা বোকামি হবে। ডোমেইন কেনার পূর্বে আপনার জেনে রাখা উচিৎ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আসুন জেনে নেই ডোমেইন নির্বাচনের কিছু টিপসঃ
.com ডোমেইনকে প্রাধান্য দিন যেকোন সাধারন ওয়েবসাইট বানাতে। তবে ওয়েবসাইটের ধরন ভেদে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোন ডোমেইন এক্সটেনশনও নির্বাচন করতে পারেন। যেমনঃ আপনি যদি সেচ্ছাসেবামূলক কোন সংগঠনের ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন নির্বাচন করতে চান। সেক্ষেত্রে .org ডোমেইন নেওয়া উচিৎ হবে।
সহজে টাইপ করা যায় বা মনে রাখা যায় সেরকম ডোমেইন নেম পছন্দ করুন। এতে ভিজিটররা বিভ্রান্ত হবেনা। এর ফলে আপনার ওয়েবসাইট সহজেই ভিজিট করতে পারবে।
ডোমেইন নাম যতদূর পারা যায় ছোট রাখুন। ছোট ডোমেইন নাম মনে রাখতে ভিজিটররা সাচ্ছন্দবোধ করে। আর ব্র্যান্ড নামগুলোও সাধারনত ছোটই হয়ে থাকে। ৮-১০ অক্ষরের মাঝে ডোমেইন নাম রাখার সর্বোচ্চ চেস্টা করুন। তবে ছোট-বড় যাই হোক না কেন, ডোমেইন নামে বিভ্রান্তিকর কিছু রাখবেন না।
অবাঞ্চিত কোন ক্যারেক্টার-হাইফেন এসব কিছুই রাখবেননা ডোমেইন নামে। এগুলো ভিজিটরের কাছে ডোমেইন নাম মনে রাখতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
প্রতিযোগী সাইটের সাথে নাম মিলিয়ে রাখতে চেস্টা করে অনেকেই। এটি থেকে বিরত থাকুন। বিভ্রান্ত করে ভিজিটর আনার এরকম কৌশল কখনই কাজে লাগেনা। বরং এ ধরনের কাজ আপনার সাইটের অথরিটি নস্ট করে।
ডোমেইন নামের পাশাপাশি এখন সেই নামে সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের ইউজারনেমের দিকেও খেয়াল রাখুন। ব্র্যান্ডিং তৈরি করতে ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ভাল ডোমেইন নেম ফাঁকা পেলে দ্রুত কিনে ফেলতে দ্বিধাবোধ করবেন না। কারণ, ভাল ডোমেইন কেনার জন্য সারাবিশ্বে অনেকেই মুখিয়ে আছে। তাই, পছন্দের ডোমেইন নেমটি কিনে ফেলতে সময় নিলে সেটি পরে ফাঁকা পাবেন কিনা এমন গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবেনা।
ব্র্যান্ডিং নিয়ে আপনি যদি চিন্তিত থাকেন। তবে সামর্থ্য থাকলে আপনার কাঙ্ক্ষিত নামে .com, .net, .info এরকম কয়েকটি টপ লেভেল ডোমেইন একসাথে কিনে ফেলতে পারেন। এতে করে একই নামের অন্য এক্সটেনশন নিয়ে কোন কম্পিটিটর দাঁড়িয়ে গিয়ে আপনার ব্র্যান্ডিং নষ্ট করার সুযোগ পাবেনা।
কিভাবে ডোমেইন কিনবেন?
ডোমেইন কেনার জন্য দেশী-বিদেশী অসংখ্য প্রতিষ্ঠান আছে। তাই ডোমেইন কেনার পূর্বে ঠিক করুন আপনি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে কিনবেন নাকি আন্তর্জাতিক কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে কিনবেন। আপনার যদি মাস্টারকার্ড বা ইন্টারন্যাশনাল কোন পেমেন্ট মেথড থেকে থাকে তবে সেক্ষেত্রে GoDaddy, Namecheap, Bluehost সহ আরো অনেক জনপ্রিয় বিদেশী সাইট থেকে কিনুন। আর যদি বিকাশ, রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিং দিয়ে সহজেই ডোমেইন কিনতে চান তবে সেক্ষেত্রে অনেক দেশীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে আপনার জন্য।
দেশীয় সেবা প্রদানকারী কোম্পানীর মধ্যে BizTech অন্যতম। ফুল কন্ট্রোল প্যানেলসহ কম খরচে যেকোন ডোমেইন এবং হোস্টিং সার্ভিস নিতে ভিজিট করুন https://airgloballtd.com/bt/ অথবা কল করুন ০১৭১৫৬৬১৭৪০। এছাড়াও ডোমেইনের সাথে পাচ্ছেন এক বছরের এসএসএল সার্টিফিকেট একদম ফ্রি!
Black Friday Hosting Sale 2019 is round the corner. Though the Black Friday will be on 29th November 2019 and Cyber Monday on 2nd December 2019, some companies have already announced their Black Friday Hosting Deals.
So without wasting any time, let us get straight to the Hosting deals.you can grab this Black Friday.
Black Friday Hosting Deals 2019 (Summary)
Sr. No
Web Host
Offer
Coupon
Deal Date
Link
1.
A2 Hosting
Managed WordPress: Up to 60% Discount(Starting: $9.78/month)VPS (Managed & Core): Up to 50% Discount(Starting: $25/month)Dedicated Server: Up to 50% Discount(Starting: $96.5/month)Reseller Hosting: Up to 51% Off(Starting: $9.8/month)
Shared Hosting: TBA(Price: TBA)VPS: TBA(Price: TBA)Exclusive Coupon: HB1CENTFirst Month Shared Hosting And VPS For 1 Cent (Can be availed with Black Friday Offer
Shared Hosting: Up To 90% Discount(Starting at $1/month)VPS Hosting: Up To 90% Discount(Starting at $3.99/month)Dedicated Servers: Up to 95% Discount(Starting at $9.99/month)
Shared Hosting: TBA(Starting at TBA)Domain Registration: TBA(Starting at TBA)Domain Transfer: TBA(Starting at TBA)SSL Certificate: TBA(Starting at TBA)
1. Bluehost Black Friday Hosting Deals: Get 66% Off
>>>Get hosting at just $2.65/month on Friday, November 23rd and on Monday, November 26th.
Bluehost is undoubtedly one of the best web hosting solutions available today, especially for WordPress powered blogs as the company is officially recommended by WordPress as the perfect web hosting provider for their servers.
Bluehost is popular for its excellent and affordable hosting price. So if you’re looking for a cheap and pretty much dependable hosting deal, Bluehost is definitely for you.
During this Black Friday period, you’ll be able to pay only $2.65 per month on their hosting packages – and if you’re an AdWords customer, you’ll equally get the $100 credit coupon free of charge.
Apart from these awesome benefits, here are also the features you’ll enjoy on Bluehost:
Unlimited hosting space
Unlimited Domain hosting
Unlimited bandwidth
Unlimited FTP accounts
Free Domain Name (for 1 year)
Free CDN (CloudFlare)
Free SSL Access
Standard cPanel Hosting
1 click WordPress installation
Free Site builder with lots of stunning free templates
You don’t have to wait any longer, quickly grab this Bluehost black Friday deal now before you miss it. Get 66% OFF On Bluehost Black Friday Deal Now!
2. SiteGround Black Friday Hosting Deals: Get 75% off
>>>The Black Friday sale will begin on November 23rd and last until November 26th, 2019 and you’ll get 75% off on their shared hosting.
I doubt if you’ll ever hear about good web hosting providers on the internet without hearing about SiteGround as it’s a very popular web hosting solution.
In my whole online career, I’ve never heard any bad comments about the company. And that’s why I’ll always recommend SiteGround to every business owner that wishes to venture into the digital world.
SiteGround will make your life easier as they take care of everything from installing WordPress to getting great optimization for fast loading sites.
Excitingly, they’re offering you a whopping 75% discount on all the hosting plans this Black Friday period.
Therefore, if you’re just starting out, or you’re already marketer but you’re not so happy with your current hosting company, SiteGround is more than a fantastic alternative, and I’m sure a trial will convince you.
Here are some of the key features you’ll enjoy on SiteGround:
cPanel & SSH Access for better security
Free Website Migration
Super-fast loading times because of SSD storage
Free Setup & Transfer
9% Uptime Guarantee
Insanely affordable hosting plans
Free Website Builder
Free Daily Backup
Unlimited email accounts
24/7 Technical Support
30 Days Money Back
Free CloudFlare CDN to enhance your website loading speed
HTTP/2 Enabled Servers
Unlimited Emails & DBs
Free SSL certificates even with their basic plan
So what are you still waiting for? Rush now and get a hosting package with a massive 75% OFF on all shared hosting plans, and I’ll recommend GoGeek plan if you plan on hosting unlimited websites. Get 75% OFF On Siteground Black Friday Deal Now!
3. Hostgator Black Friday Hosting Deals: Up to 70% Discount on All Hosting Plans
Hostgator is a renowned web hosting provider – I bet there’s no old digital marketer or blogger who doesn’t know about it and has probably used it at some point. This rugged hosting company has been there for years before most of the alternatives we have today.
Hostgator offers Shared hosting, Cloud hosting, WordPress hosting, VPS, Dedicated hosting, and Reseller hosting packages at reasonable prices. With its affordable price and great technical support, it’s seen as one of the best web hosts out there.
Now, here’s the best part…
…Hostgator is offering its new users a MASSIVE 70% discount during this year’s Hostgator Black Friday sale.
If you’re looking to get a new host, I’ll suggest you check out Hostgator as it’s one of the most trusted web hosts for every newbie who’s starting their online journey because of their ease of use and solid support.
Apart from the discount, Hostgator will also help you to migrate your website from your old server to the new server without extra cost. Therefore, if you have any pending renewal on your old host, now is the best time to migrate to Hostgator, leveraging their free migration.
And finally, you’ll also get $100 Bing and $100 AdWords credits on every hosting package you purchase, which is indeed a steal deal.
Here are the other benefits you’ll get from Hostgator during this Black Friday deal:
Affordable shared hosting plans
Free SSL Certificate for a more secure site
Free website migration
Impressive customer support
45-day money back guarantee
1-CLICK Script Installs
4,500 Free Website Templates
9% Uptime Guarantee
EASY Control Panel (Try Demo)
UNLIMITED Bandwidth
UNLIMITED Disk Space
Here are the complete details of the Hostgator Black Friday offer:
22nd November 2019 – Early Access Black Friday deal: Flash sales for 1 hour only
Sale details – Up to 70% discount with $2.99 on select domains
12:00 am – 12:59 am CST: Coupon: 2018BF1
10:00 am – 10:59 am CST: Coupon: 2019BF2
05:00 pm – 50:59 pm CST: Coupon: 2019BF3
All day access: From 01:00 am to 11:59 pm CST – Coupon: 2019BF (this coupon will give you all day access but you will get up to 65% OFF with $5.99 on select domains).
23rd November 2019 Black Friday sale: Flash sales will last for only 1 hour
Deal details: Up to 70% with $2.99 on select domains
12:00 am – 12:59 am CST: Coupon: 2018BF4
10:00 am – 10:59 am CST: Coupon: 2019BF5
02:00 pm – 02:59 pm CST: Coupon: 2019BF6
05:00 pm – 05:59 pm CST: Coupon: 2019BF7
All day access: From 1:00 am – 11:59 pm CST: Coupon: 2019BF
24th November 2019 Small Business Saturday: Flash sales will last for only 1 hour
Promo details: Up to 70% with $2.99 on select domains
12:00 am – 12:59 am CST: Coupon: 2018SB1
10:00 am – 10:59 am CST: Coupon: 2019SB2
05:00 pm – 05:59 pm CST: Coupon: 2019SB3
All day access: From 1:00 am to 11:59 pm CST: Coupon code: 2019SB
26th November 2019 Cyber Monday sale: Flash sales for just 1 hour
Sale details: Up to 70% with $2.99 on select domains
12:00 am – 12:59 am CST: Coupon: 2018CM1
10:00 am – 10:59 am CST: Coupon: 2019CM2
02:00 pm – 02:59 pm CST: Coupon: 2019CM3
05:00 pm – 05:59 pm CST: Coupon: 2019CM4
All day access: From 1:00 am to 11:59 pm CST: Coupon code: 2019CM (you will get all day access for up to 65% discount with $5.99 on select domains). Get 70% OFF On HostGator Black Friday Deal Now!
4. WPX Hosting Black Friday Deal: 95% OFF for 1st month + 3 months free on annual plans
>>> WPX Hosting Black Friday deal will start on November 22nd and last until November 30th, 2019.
Launched by Terry Kyle, WPX Hosting is basically Premium Managed WordPress Hosting solution, whose focus is mainly on quality over pricing.
Since WPX offers only Managed WordPress Hosting, its servers are fine-tuned for giving the ideal performance for a WordPress powered site. And the outcome is their insanely fast page load times.
It’ll interest you to know that our main blog is hosted on the WPX hosting server as it’s the fastest and most secure web hosting provider we’ve seen so far.
And here’s the exciting news – WPX hosting is giving out MASSIVE benefits for their first-time users on this 2019 Black Friday period, you can get their first month hosting at a whopping 95% discount on their entire hosting plans after which you’ll start paying the regular price.
WPX Hosting will actually be offering 2 types of deals during this period:
Deal 1: 95% discount on first-month hosting
If you wish to be paying for hosting on a monthly basis, then this is the perfect deal for you. This means that you can get started as low as $1 in your first month.
Deal 2: Free 3-Months Hosting On Annual Subscriptions
If you wish to pay for an annual hosting (which is the best), this is an excellent deal for you as you can enjoy 3-months hosting for free by buying an annual plan.
With WPX hosting you’ll get:
Free website migration for up to 5 websites
Free SSL certificate
24/7 customer service
Free content delivery network (CDN)
95% uptime guarantee
Enjoy 95% OFF On WPX Hosting Black Friday Deal Now!
5. Namecheap Black Friday Deal: Get up to 98% off
>>> You’ll enjoy 98% discount on Namecheap hosting during the Black Friday period — and the deal will be live from 23rd November to 26th November 2019.
Namecheap is generally recognized in the industry as a domain registrations company. However, some people also know that they do offer excellent hosting products as well.
As the name goes, their hosting solutions are insanely cheap even without the Black Friday discounts. But having a low-cost hosting services does not mean they’re cheap in quality though as they offer a solid hosting solution with great customer support.
Interestingly Namecheap is offering 98% discount on their web hosting during this year’s Black Friday sale, so I’ll suggest you keep an eye for it if you truly want to get a high-quality web host for your websites at an insanely reduced price.
Remember, this type of offer only comes once in a year, so you’ve got to act fast while it’s still available.
That said, here are some of the features you’ll enjoy once you buy Namecheap hosting.
Excellent uptime guaranteed
Access to user-friendly cPanel to make your life easier
Shared hosting for less than the price of a domain name
Quick WordPress installation
Easy database backups
24×7 live chat support
5 GB SSD storage
Enjoy 98% OFF On Namecheap Black Friday Deal Now!
6. HostPapa Black Friday Hosting Deals – Enjoy Hosting for $1 per Month
>>> Starting from Tuesday, November 26th and end at Wednesday, December 4th, you can get HostPapa hosting for just $1 per month.
Originated from Canada, HostPapa is simply the best Green eco-friendly web hosting provider on the web. Green hosting means that the hosting company is environmental friendly where it reduces green technologies via environmental impact.
Since its inception, HostPapa remained one of the most affordable and feature-rich web hosting choice for small and medium businesses, bloggers, and marketers.
HostPapa offers different hosting services such as Shared hosting, WordPress optimized hosting, reseller hosting, VPS hosting, etc.
Excitingly, HostPapa is also offering a mouth-watering deal this year’s Black Friday, below are the details:
Get shared hosting account at only $1 per month if you’re buying 36 months plan.
WordPress Optimized hosting goes for $1 per month only if you’re buying 36 months plan.
Reseller Hosting Bronze and Silver plans will sell for $1/month for anyone buying a 1-month package.
Simply click on the “buy button” below and get HostPapa hosting at only $1/month during this Black Friday (you don’t need any special promo code as the deal will be applied for automatically on checkout).
Here are some of the features you’ll enjoy from HostPapa:
99.9% uptime guaranteed
Dedicated customer support
Secure server
High-performance servers for faster loading websites
Free domain registration
HostPapa black Friday deal of 2019 will start from 26th November until 4th December. So grab the deal right now using the link below. Enjoy $1/Mo Hosting On Hostpapa Black Friday Deal!
7. Hostinger Black Friday Deal – Get 90% Discount on Shared Hosting
>>>Starting from 23rd November to 27th November, you can get up to 90% OFF on Hostinger shared hosting plans.
Hostinger is somewhat new in the web hosting industry. However, according to the company, they’re getting up to 15,000 new accounts per day, which makes them one of the fastest growing web hosting providers.
Hostinger offers different web hosting packages such as Shared, Cloud, and VPS Hosting. However, unlike other hosting providers, Hostinger does not provide a cPanel with their shared hosting plans. Instead, they offer a custom build panel known as “hPanel.”
This control panel is very lightweight and easy to use compared to the regular cPanel from other web hosts. Although the hPanel is fortified with the basic features that most people, especially the newbies might need, it does lack several functionalities of the traditional cPanel.
During this 2019 Black Friday period, Hostinger is offering up to 90% discount on its shared hosting plans – and you can equally get up to 78% discounts on Cloud Hosting and up to 70% on its VPS Hosting.
That said, here are some of the amazing features that come with Hostinger:
Superior speed performance
99.9% guaranteed uptime
Full root access
Dedicated IP
Unlimited number of websites
Unlimited disk space
Unlimited bandwidth
Unlimited resources
IPv6 Support
MySQL and PHP database support
Single Click web script installer
Free domain name & SSL
4X Optimized WordPress hosting
SSD website hosting
30 days money back guarantee
FTP & cPanel customization
WordPress friendly
24×7 Live support
Get 90% OFF On Hostinger Black Friday Deal!
8. A2 Hosting Black Friday Hosting Sale – Get 67% OFF + $1.98 per month
>>> You can enjoy up to 67% discount + $1.98 per month from A2 Hosting in this 2019 Black Friday deal.
If you’re one of the people that are obsessed about their website speed, then this is the ideal web host for you. A2 Hosting uses SSD servers that are incredibly fast compared to the regular disks used by the likes of HostGator and Bluehost.
Here are the A2 Hosting black Friday and cyber Monday sale details.
Shared Hosting is at just $1.98/mo: 67% off with promo code: MEGA67
Reseller Hosting: 51% off with promo code: RSLR51
Managed Dedicated Servers: 50% off with promo code: HALFDEDI
Managed WordPress Hosting: 60% off with promo code: WP60
Managed VPS & Core VPS: 50% off with promo code: MVPS-50
Additionally, their hosting plan supports turbo-boosting feature which helps to improve page speed by at least 2x. Therefore, if you really care much about your website’s loading speed, I’ll highly suggest you check out this A2 Hosting Black Friday deal.
Unfortunately, A2 hosting is one of the most overlooked web hosting providers out there, but their quality service speaks volume.
Like some other high-quality hosts, they equally offer free website migration from your old to a new server – alongside free SSL certificates on every website hosted on their servers.
That’s not all, you’ll also get any time money-back guarantee once you buy any of their hosting plans. Isn’t that outstanding?
And here’s the best part – they’re offering a 67% discount on shared hosting plans and up to 50% on VPS solutions during this Black Friday sale.
Finally, apart from the features mentioned above, here are the other benefits you’ll enjoy from A2 Hosting:
Timely backups
20X Fast Loading Speed
Excellent Customer Support
99.9% Uptime Commitment
Pay with your debit cards
Get 67% OFF On A2 Hosting Black Friday Deal!
9. FlyWheel Black Friday Offer – Get 3 Months Free on Premium WordPress Hosting
>>>Starting from 23rd November to 27th November, you can get 3 months free on Flywheel annual hosting plan.
Flywheel is a fantastic web hosting solution that offers only Managed WordPress Hosting services. Launched in 2012, Flywheel’s core focus is to offer web hosting services for developers and web designers who wish to build their website on the WordPress CMS.
Therefore, if you’re a developer or web designer, you can expect some insanely useful features specially meant for you on Flywheel hosting. The company also offers you a temporary domain name for ease of building your site.
And aside from that, it equally allows you to create a blueprint of a WordPress installation with all the necessary themes and plugins to enable you not to start from the beginning for every new website project.
And if you are a developer, you can also provide access to a designer or vice-versa – and billing can equally be transferred to the client if you wish not to pay for it.
Finally, the Flywheel Black Friday Hosting sale discount will run from 23rd November 2019 to 27th November 2019 – and during this time, Flywheel is giving out 3 Months of free hosting with their Annual Plan.
With that out of the way, here are other benefits of Flywheel hosting:
Free website migrations
All users are on VPS server which is non-shared
Built for WordPress sites with server-side caching
Aesthetic user interface
Nginx as standard (naturally faster than Apache)
No overage charges
One-Click staging sites
Fascinating performance
Client billing transfer
Free Demo websites (Only pay when site go live)
Fantastic uptime
Huge security and malware monitoring
Re-imagined SFTP
Nightly backups stored off-site and one-click restores
Easy CDN integrations
Get 3 Months Free On Flywheel Black Friday Deal!
10. WP Engine Black Friday Hosting Sale Offers: 5 Months FREE Hosting
>>> WP Engine Black Friday offer will start on Thursday, November 28, 2019 – Monday, December 2, 2019.
WP Engine does not need much introduction – they’re the king in managed WordPress hosting services and this 2019 WP Engine Black Friday sale has something extraordinary compared to previous years.
WP Engine is not one of those cheap hosting providers by any means and they cater to only people concerned about high-quality products together with near perfect customer support.
The customer support team at WP Engine is specially trained to troubleshoot WordPress related problems and provide you with solutions promptly. So if you don’t mind spending a few extra $$$ to get the peace of mind you so much desire, then WP Engine would be the ideal hosting choice for you.
That said, for the year 2019, WPEngine is offering 5 months of free hosting on any of their annual shared plans.
The hosting discount is applicable only on Startup, Growth, and Scale plans and is meant for new customers only.
The WPEngine Black Friday sale will run from Thursday, November 28, 2019 – Monday, December 2, 2019.
Here are some of the features you’ll enjoy from WPEngine:
100% uptime
Super-fast loading time around 140ms
Global data center locations via Google Cloud and AWS
More than excellent customer support
130+ CDN locations
So what are you still waiting for? Instantly get 5 months free hosting from WP Engine on shared plans using the coupon code: cyberwknd30 Get 5 Months Free Hosting On WP Engine Black Friday Deal!
11. Cloudways Black Friday Hosting Sale Offers: 40% OFF for 3 Months
>>> Cloudways Black Friday deal will start from 14th Nov, 2019 to Dec 4th, 2019
If you’re looking for the #1 cloud based managed hosting platform, Cloudways is for you. It offers you a ton of hosting features to make your site faster, reliable, secure at affordable prices.
This year 2019, Cloudways is offering 40% off for 3 months on all the plans during the Cloudways Black Friday sale. So yes, you’ll be saving huge on all of their hosting plans.
Cloudways Black Friday sale will be available from Nov 14th to 4th of Dec, 2019. So make sure to grab the offer before the deal expires.
Here’s a list of some of the incredible features that you get with Cloudways hosting.
Free SSL certificates with all the plans
24/7 Expert Support
Managed Backups
Managed Security
Access Cloudways CDN
SSD based hosting for faster speeds
And the list goes on
So what are you still waiting for? Get 40% instant discount on Cloudways using the coupon code: BFCM40 Get 40% OFF On Cloudways Black Friday Deal!
12. WP Rocket Black Friday Hosting offers: 35% Instant Discount
There’s no doubt that WP Rocket is the best WordPress cache plugin in the industry. The plugin is pretty easy to use and offers an all-in-one approach to WordPress performance and speed optimization.
Apart from these impressive features, it equally offers a bunch of other functionalities that advanced users will find very handy.
Now, the best part…
WP Rocket is giving out up to 35% discount on all their licenses during this 2019 WP Rocket Black Friday deal. Therefore, if you have a WordPress powered blog or website, and you wish to switch to a premium and reliable caching plugin, WP Rocket is the ideal option for you.
Like most serious online marketers and bloggers, you should always prefer faster loading websites as it affects the way users perceives your site as well as affects how the search engines see your site.
However, the problem is that making your website faster is usually easier said than done – and that is why you need great performance cache plugins such as WP Rocket.
WP Rocket will typically give your site all the performance boost it needs, which is the primary reason why it’s widely used by experts and professionals throughout the world to power their WordPress blogs.
To put succinctly, WP Rocket will help to:
Defer loading of JavaScript files
Cache all the pages and posts on your site
Enable browser caching
Remove Query Strings from Static Resources
Optimize Google fonts
Reduce bandwidth usage with gzip compression
Minify and concatenate CSS and JS files
Defer JS Loading
Defer loading of images
CDN/ Cloudfare Compatibility
Cache Preloading/ Sitemap Preloading
So if you’re tired of the snail-like loading of your site, it’s time to let WP Rocket do its job, and you’ll have a lot to gain from it this WP Rocket Black Friday period. Get 35% OFF On WP Rocket Black Friday Deal!
You can find more interesting Black Friday Web Hosting deals and discounts from here as well.
Best Black Friday Web Hosting Deals 2019 | Conclusion
There you have it all. I’m sure by now, you no longer have any excuse not to bring that your website to life.
With Black Friday Web Hosting deals for 2019, you’ll be able to buy hosting servers at giveaway prices. This is that time of the year when most bloggers and marketers make their web hosting purchases to get huge discounts and save money for other areas of their business.
Therefore, if you are planning to create a new blog – or you wish to switch from the Blogger platform to WordPress – or you simply want to switch from your current hosting server to a new one, this is the perfect time for you.
The only problem most newbies usually have is that these popular and reliable web hosting providers charge very high during the time for renewal – this fact is often hidden for you until the renewal invoice comes.
That is why we often recommend that you buy 2-3 years’ worth of web hosting service this black Friday at the discounted price as you will certainly save lots of money if you would’ve bought the same hosting plans on a regular day with just 1-year validity.
So yes! It’s worth saying again that the Black Friday period is the ideal time to purchase your web hosting package and save money.